দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ভোটের লড়াই আগামীকাল প্রস্তুত প্রার্থীরা

ভোটের লড়াই আগামীকাল প্রস্তুত প্রার্থীরা
অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে অবশেষে ভোট উৎসবের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ।

দীর্ঘ প্রতীক্ষা, রাজনৈতিক মেরুকরণ আর নানা অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে অবশেষে ভোট উৎসবের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। আজ সকাল সাড়ে ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচার। এখন কেবল অপেক্ষা ব্যালটযুদ্ধের। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে এ ঐতিহাসিক জনমত যাচাইয়ের প্রক্রিয়া। ভোটাররা বেছে নেবেন তাদের নিজ এলাকার আইনপ্রণেতাকে।

গণ অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে অবিশ্বাস আর হতাশার জন্ম হয়েছিল, সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা ছিল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন, যেখানে সংস্কার ও নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে। ইসি সূত্র জানিয়েছে, সব ধরনের প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ও বিশেষ নিরাপত্তা-সংবলিত ব্যালট পেপার এরই মধ্যে জেলা পর্যায়ের ট্রেজারিগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন , বিদায়ী বৈঠকে সচিবদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ প্রধান উপদেষ্টার

এবারের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ সাম্প্রতিক বছরগুলোর চেয়ে সব থেকে বেশি। আওয়ামী লীগবিহীন এ নির্বাচনে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। অংশগ্রহণকারী প্রধান দলগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

’২৪-এর ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় তারা এ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়নি। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অনেক শরিক দলও নৈতিক অবস্থান বা কৌশলগত কারণে এ ভোট বর্জন করছে। তবে দলীয় প্রার্থীর বাইরেও বিপুল সংখ্যক স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনি মাঠে থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশ জমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনি পরিবেশ মোটামুটি শান্ত থাকলেও পুরোপুরি রক্তপাতহীন থাকেনি মাঠ।

বিষয় : উৎসব সংসদ নির্বাচন ভোটের লড়াই

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


ভোটের লড়াই আগামীকাল প্রস্তুত প্রার্থীরা

প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

দীর্ঘ প্রতীক্ষা, রাজনৈতিক মেরুকরণ আর নানা অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে অবশেষে ভোট উৎসবের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। আজ সকাল সাড়ে ৭টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচার। এখন কেবল অপেক্ষা ব্যালটযুদ্ধের। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে এ ঐতিহাসিক জনমত যাচাইয়ের প্রক্রিয়া। ভোটাররা বেছে নেবেন তাদের নিজ এলাকার আইনপ্রণেতাকে।

গণ অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে অবিশ্বাস আর হতাশার জন্ম হয়েছিল, সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা ছিল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জন্য এক বিশাল চ্যালেঞ্জ। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন, যেখানে সংস্কার ও নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হবে। ইসি সূত্র জানিয়েছে, সব ধরনের প্রশাসনিক ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ও বিশেষ নিরাপত্তা-সংবলিত ব্যালট পেপার এরই মধ্যে জেলা পর্যায়ের ট্রেজারিগুলোতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।


আরো পড়ুন , বিদায়ী বৈঠকে সচিবদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ প্রধান উপদেষ্টার


এবারের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ সাম্প্রতিক বছরগুলোর চেয়ে সব থেকে বেশি। আওয়ামী লীগবিহীন এ নির্বাচনে ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে। অংশগ্রহণকারী প্রধান দলগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

’২৪-এর ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় তারা এ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়নি। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের অনেক শরিক দলও নৈতিক অবস্থান বা কৌশলগত কারণে এ ভোট বর্জন করছে। তবে দলীয় প্রার্থীর বাইরেও বিপুল সংখ্যক স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনি মাঠে থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশ জমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনি পরিবেশ মোটামুটি শান্ত থাকলেও পুরোপুরি রক্তপাতহীন থাকেনি মাঠ।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত