দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

কেন্দ্রে দায়িত্বপালনের আগে সীমাবদ্ধ প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন আনসাররা

কেন্দ্রে দায়িত্বপালনের আগে সীমাবদ্ধ প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন আনসাররা
আনসার ও ভিডিপি সদস্যকে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়েছে।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় সাড়ে ২৫ হাজার আনসার ও ভিডিপি সদস্যকে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ের আনসার সদস্যদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই তাদের দায়িত্বে পাঠানো হচ্ছে। এতে করে সংকটকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, গতকাল রবিবার দিনব্যাপী চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এতে কেবল মৌখিক নির্দেশনা দিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষ করা হয়েছে। নির্বাচনকালীন দায়িত্ব, আচরণবিধি ও করণীয় সম্পর্কে ব্রিফিং দেওয়া হলেও কোনো ধরনের মহড়া বা ব্যবহারিক অনুশীলন করানো হয়নি। একাধিক আনসার সদস্য অভিযোগ করেছেন, বাস্তবে কীভাবে উত্তেজিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, সে বিষয়ে তারা স্পষ্ট ধারণা পাননি।

আরো পড়ুন , নির্বাচনী পরিবেশে পুলিশের জন্য ৭৩ নির্দেশনা জারি

আরেক আনসার সদস্য জানান, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব মানে শুধু পাহারা দেওয়া না। অনেক সময় উত্তেজিত ভোটার, প্রার্থীর সমর্থকদের চাপ, এমনকি সহিংস পরিস্থিতিও তৈরি হয়। এসব মোকাবিলায় বাস্তব প্রশিক্ষণ খুব দরকার। শুধু মৌখিক নির্দেশনা দিয়ে সব পরিস্থিতি সামলানো কঠিন।

নির্বাচনসংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় নির্বাচন একটি স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল প্রক্রিয়া। সামান্য উত্তেজনাও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলায় রূপ নিতে পারে। এ অবস্থায় মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা কর্মীদের মানসিক দৃঢ়তা, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। মৌখিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বাস্তব অনুশীলন বা মহড়া থাকলে দায়িত্ব পালনে আনসার সদস্যদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়ত বলে মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল মিঞা ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ বশির আহমেদের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও সাড়া মেলেনি।জেলা আনসার ও ভিডিপির পরিচালক ও জেলা কমান্ড্যান্ট মোহাম্মদ মোস্তাক আহমদ বলেন, আমাদের সদস্যদের নির্বাচনকালীন দায়িত্ব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়েছে। মৌখিক প্রশিক্ষণ হলেও সেটি যথেষ্ট কার্যকর। পাশাপাশি অভিজ্ঞ প্লাটুন কমান্ডার ও দলনেতারা সদস্যদের সঙ্গে থাকবেন, যারা প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেবেন।

বিষয় : আনসার দায়িত্বপালন

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


কেন্দ্রে দায়িত্বপালনের আগে সীমাবদ্ধ প্রশিক্ষণে যাচ্ছেন আনসাররা

প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় সাড়ে ২৫ হাজার আনসার ও ভিডিপি সদস্যকে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়েছে। তবে মাঠপর্যায়ের আনসার সদস্যদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ ছাড়াই তাদের দায়িত্বে পাঠানো হচ্ছে। এতে করে সংকটকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, গতকাল রবিবার দিনব্যাপী চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও থানা পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এতে কেবল মৌখিক নির্দেশনা দিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষ করা হয়েছে। নির্বাচনকালীন দায়িত্ব, আচরণবিধি ও করণীয় সম্পর্কে ব্রিফিং দেওয়া হলেও কোনো ধরনের মহড়া বা ব্যবহারিক অনুশীলন করানো হয়নি। একাধিক আনসার সদস্য অভিযোগ করেছেন, বাস্তবে কীভাবে উত্তেজিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, সে বিষয়ে তারা স্পষ্ট ধারণা পাননি।


আরো পড়ুন , নির্বাচনী পরিবেশে পুলিশের জন্য ৭৩ নির্দেশনা জারি


আরেক আনসার সদস্য জানান, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব মানে শুধু পাহারা দেওয়া না। অনেক সময় উত্তেজিত ভোটার, প্রার্থীর সমর্থকদের চাপ, এমনকি সহিংস পরিস্থিতিও তৈরি হয়। এসব মোকাবিলায় বাস্তব প্রশিক্ষণ খুব দরকার। শুধু মৌখিক নির্দেশনা দিয়ে সব পরিস্থিতি সামলানো কঠিন।

নির্বাচনসংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় নির্বাচন একটি স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল প্রক্রিয়া। সামান্য উত্তেজনাও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলায় রূপ নিতে পারে। এ অবস্থায় মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা কর্মীদের মানসিক দৃঢ়তা, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা এবং বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। মৌখিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বাস্তব অনুশীলন বা মহড়া থাকলে দায়িত্ব পালনে আনসার সদস্যদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়ত বলে মনে করছেন তারা।

এ বিষয়ে জানতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল মিঞা ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ বশির আহমেদের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও সাড়া মেলেনি।জেলা আনসার ও ভিডিপির পরিচালক ও জেলা কমান্ড্যান্ট মোহাম্মদ মোস্তাক আহমদ বলেন, আমাদের সদস্যদের নির্বাচনকালীন দায়িত্ব সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয়েছে। মৌখিক প্রশিক্ষণ হলেও সেটি যথেষ্ট কার্যকর। পাশাপাশি অভিজ্ঞ প্লাটুন কমান্ডার ও দলনেতারা সদস্যদের সঙ্গে থাকবেন, যারা প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক নির্দেশনা দেবেন।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত