দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ময়মনসিংহ- ৬ আসনে নির্বাচনী দৃশ্যপটে বড় পরিবর্তন

ময়মনসিংহ- ৬ আসনে নির্বাচনী দৃশ্যপটে বড় পরিবর্তন
ময়মনসিংহ- ৬ আসনে নির্বাচনী দৃশ্যপটে বড় পরিবর্তন

১৫১ ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) সংসদীয় আসনে নির্বাচনী মাঠে দৃশ্যপট এখন একেবারেই ভিন্ন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল ও ঘোড়া প্রতীকের পক্ষে অপ্রতিরোধ্য গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় রাজনীতির চেনা হিসাব ভেঙে দিয়ে ভোটের মাঠে স্পষ্টভাবে আধিপত্য বিস্তার করেছেন দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থীরা ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে এখন আর দল বনাম দল নয় চূড়ান্ত লড়াই স্বতন্ত্র বনাম স্বতন্ত্র।

এই আসনে রয়েছে ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা, মোট ১২১টি ভোটকেন্দ্র।মোট ভোটার ৪ লাখ ১৭ হাজার ৯২৬জন। পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ১০ হাজার৩৩১ জন,মহিলা ভোটার সংখ্যা ২ লাখ৭ হাজার৫৯৩ জন ও তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার রয়েছেন ২ জন।

ভোটের মাঠে যাঁরা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর প্রতীক ঘোড়া। অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা  সাবেক এমপি মরহুম প্রকৌশলী শামছ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী, প্রতীক ফুটবল। অন্যদিকে দলীয় প্রার্থীরা হলেন বিএনপি মনোনীত আখতারুল আলম (ধানের শীষ),জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মু. কামরুল হাসান মিলন(দাঁড়িপাল্লা), খেলাফত মজলিশের মুফতি নুরে আলম সিদ্দিকী (হাতপাখা)। কিন্তু মাঠের বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা এখন প্রায় প্রভাবহীন।

এলাকায় এলাকায় স্বতন্ত্রদের গণজোয়ার ফুলবাড়ীয়া উপজেলার দক্ষিণাঞ্চল থেকে শুরু করে ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার অলিগলি সবখানেই এখন একটাই আলোচনা, ফুটবল আর ঘোড়া। পোস্টার আছে, কর্মী আছে কিন্তু জনসমর্থন নেই। অনেক বিএনপি নেতা প্রকাশ্যে শীষের কথা বললেও আড়ালে গিয়ে ফুটবল বা ঘোড়ার জন্য কাজ করছেন এটাই এখন ওপেন সিক্রেট। দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাঠে সক্রিয় থাকলেও স্বতন্ত্রদের চাপ সামলাতে গিয়ে কার্যত রাজনৈতিক ডিফেন্সে।

বিশেষ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা ও অধ্যাপক জসিম উদ্দিনের পক্ষে দল-মত নির্বিশেষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা স্থানীয় রাজনীতিতে নজিরবিহীন। এলাকায় শোনা যাচ্ছে সবার ফুটবল, সবার ঘোড়া এই দুই প্রার্থীর নিয়ে চলছে এলাকার জল্পনা কল্পনা। অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা বলেন, তিনি ফুলবাড়ীয়ার উন্নয়নের রূপকার, সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম প্রকৌশলী শামছ উদ্দিন আহমদের আদর্শ ও দর্শন ধারণ করে জনগণের সেবা করতে চান। তিনি মরহুম প্রকৌশলী শামছ উদ্দিন আহমেদের রেখে যাওয়া সব অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে পৌর সদর, ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন, রাধাকানাই, দেওখোলার একাংশ, কুশমাইল, পুটিজানা ও বাক্তা ইউনিয়নের একাংশসহ বিভিন্ন এলাকায় অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিনের ঘোড়া প্রতীক শক্ত ভিত তৈরি করেছে। ভোটাররা তাঁকে আখ্যা দিচ্ছেন মজলুম জননেতা, যিনি কথা বলেন সাধারণ মানুষের পক্ষে। জামায়াতের দলীয় প্রার্থী মাঠে থাকলেও স্বতন্ত্রদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রাথী মু. কামরুল হাসান মিলন তিনিও  শক্ত অবস্থানে মাঠে আছেন।

ভোটারদের কণ্ঠে জনগণের সুখ-দুঃখ

এনায়েতপুর এলাকার আব্দুল কাদের বলেন, আমরা এমন মানুষ চাই, যিনি মানুষের দুঃখ বুঝবেন। আখতার সুলতানা মামানী সব সময় মানুষের পাশে ছিলেন, তাই ফুটবলেই ভোট দেব। ভবানীপুরের আনিছ মিয়া বলেন, দলীয় রাজনীতি অনেক দেখেছি, এখন দরকার কাজের মানুষ। স্বতন্ত্র প্রার্থীই আমাদের ভরসা। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের একাধিক ভোটার জানান, ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী এলাকায় যে সম্মান আর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন, তা অন্যদের নেই।

আরও পড়ুন, চন্দনাইশে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ২ দম্পতি আটক

রাধাকানাই ইউনিয়নের মামুনুর রশীদ বলেন, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন শিক্ষা আর ন্যায়ের কথা বলেন এই এলাকার জন্য এটাই সবচেয়ে দরকার। আগামী  ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ঘোড়া প্রতিকে ভোট দিন।ইউনিয়নের প্রায় সকল ভোটার বেদেছে জোট ঘোড়া প্রতিকের পক্ষে। দেওখোলা ইউনিয়নের একজন শিক্ষানবিস আইনজীবী আবু তাহের বলেন,উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তা নয়, মানুষের অধিকার। জসিম স্যার সেই রাজনীতিই করেন। স্যার বিজয়ী হলে আমরা সবাই কথা বলতে পারবো ইনশাআল্লাহ। 

স্বতন্ত্রদের উন্নয়ন ভাবনা ও জনগণের স্বপ্ন

অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, তিনি দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করে শিক্ষা, ন্যায়বিচার, কর্মসংস্থান ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চান। তাঁর লক্ষ্য শিক্ষার মানোন্নয়ন, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ

সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা

ক্ষমতা নয়, মানুষের অধিকার এর জন্য কাজ করবো। চাঁদাবাজ দূর্নীতি বাজ থাকবে না। ন্যায়এর পক্ষে কাজ করবো। অন্যদিকে অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা বলেন, তিনি সাবেক এমপি শামছ উদ্দিন আহমদের রেখে যাওয়া সব উন্নয়ন স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবেন। তাঁর অঙ্গীকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন নারীর ক্ষমতায়ন অসহায় মানুষের পাশে থাকা।

সব মিলিয়ে ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে এখন আর দলীয় প্রতীকের দাপট নেই। ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা কার্যত কোণঠাসা, অনেকের ভাষায় কপাল পুড়া দশা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে চূড়ান্ত লড়াই হবে ফুটবল বনাম ঘোড়া যেখানে জনগণের ভালোবাসা, দুঃখ-কষ্ট আর প্রত্যাশাই নির্ধারণ করবে বিজয়ী।

বিষয় : ময়মনসিংহ পরিবর্তন নির্বাচনী

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


ময়মনসিংহ- ৬ আসনে নির্বাচনী দৃশ্যপটে বড় পরিবর্তন

প্রকাশের তারিখ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

১৫১ ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) সংসদীয় আসনে নির্বাচনী মাঠে দৃশ্যপট এখন একেবারেই ভিন্ন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল ও ঘোড়া প্রতীকের পক্ষে অপ্রতিরোধ্য গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় রাজনীতির চেনা হিসাব ভেঙে দিয়ে ভোটের মাঠে স্পষ্টভাবে আধিপত্য বিস্তার করেছেন দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর দলীয় প্রার্থীরা ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে এখন আর দল বনাম দল নয় চূড়ান্ত লড়াই স্বতন্ত্র বনাম স্বতন্ত্র।

এই আসনে রয়েছে ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা, মোট ১২১টি ভোটকেন্দ্র।মোট ভোটার ৪ লাখ ১৭ হাজার ৯২৬জন। পুরুষ ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ১০ হাজার৩৩১ জন,মহিলা ভোটার সংখ্যা ২ লাখ৭ হাজার৫৯৩ জন ও তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার রয়েছেন ২ জন।

ভোটের মাঠে যাঁরা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন জেলা জামায়াতের সাবেক আমীর প্রতীক ঘোড়া। অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা  সাবেক এমপি মরহুম প্রকৌশলী শামছ উদ্দিন আহমদের সহধর্মিণী, প্রতীক ফুটবল। অন্যদিকে দলীয় প্রার্থীরা হলেন বিএনপি মনোনীত আখতারুল আলম (ধানের শীষ),জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মু. কামরুল হাসান মিলন(দাঁড়িপাল্লা), খেলাফত মজলিশের মুফতি নুরে আলম সিদ্দিকী (হাতপাখা)। কিন্তু মাঠের বাস্তবতায় দেখা যাচ্ছে ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা এখন প্রায় প্রভাবহীন।

এলাকায় এলাকায় স্বতন্ত্রদের গণজোয়ার ফুলবাড়ীয়া উপজেলার দক্ষিণাঞ্চল থেকে শুরু করে ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার অলিগলি সবখানেই এখন একটাই আলোচনা, ফুটবল আর ঘোড়া। পোস্টার আছে, কর্মী আছে কিন্তু জনসমর্থন নেই। অনেক বিএনপি নেতা প্রকাশ্যে শীষের কথা বললেও আড়ালে গিয়ে ফুটবল বা ঘোড়ার জন্য কাজ করছেন এটাই এখন ওপেন সিক্রেট। দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী মাঠে সক্রিয় থাকলেও স্বতন্ত্রদের চাপ সামলাতে গিয়ে কার্যত রাজনৈতিক ডিফেন্সে।

বিশেষ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা ও অধ্যাপক জসিম উদ্দিনের পক্ষে দল-মত নির্বিশেষে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তা স্থানীয় রাজনীতিতে নজিরবিহীন। এলাকায় শোনা যাচ্ছে সবার ফুটবল, সবার ঘোড়া এই দুই প্রার্থীর নিয়ে চলছে এলাকার জল্পনা কল্পনা। অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা বলেন, তিনি ফুলবাড়ীয়ার উন্নয়নের রূপকার, সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম প্রকৌশলী শামছ উদ্দিন আহমদের আদর্শ ও দর্শন ধারণ করে জনগণের সেবা করতে চান। তিনি মরহুম প্রকৌশলী শামছ উদ্দিন আহমেদের রেখে যাওয়া সব অসমাপ্ত উন্নয়ন কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে পৌর সদর, ফুলবাড়ীয়া ইউনিয়ন, রাধাকানাই, দেওখোলার একাংশ, কুশমাইল, পুটিজানা ও বাক্তা ইউনিয়নের একাংশসহ বিভিন্ন এলাকায় অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিনের ঘোড়া প্রতীক শক্ত ভিত তৈরি করেছে। ভোটাররা তাঁকে আখ্যা দিচ্ছেন মজলুম জননেতা, যিনি কথা বলেন সাধারণ মানুষের পক্ষে। জামায়াতের দলীয় প্রার্থী মাঠে থাকলেও স্বতন্ত্রদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রাথী মু. কামরুল হাসান মিলন তিনিও  শক্ত অবস্থানে মাঠে আছেন।

ভোটারদের কণ্ঠে জনগণের সুখ-দুঃখ

এনায়েতপুর এলাকার আব্দুল কাদের বলেন, আমরা এমন মানুষ চাই, যিনি মানুষের দুঃখ বুঝবেন। আখতার সুলতানা মামানী সব সময় মানুষের পাশে ছিলেন, তাই ফুটবলেই ভোট দেব। ভবানীপুরের আনিছ মিয়া বলেন, দলীয় রাজনীতি অনেক দেখেছি, এখন দরকার কাজের মানুষ। স্বতন্ত্র প্রার্থীই আমাদের ভরসা। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের একাধিক ভোটার জানান, ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী এলাকায় যে সম্মান আর গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন, তা অন্যদের নেই।

আরও পড়ুন, চন্দনাইশে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ২ দম্পতি আটক

রাধাকানাই ইউনিয়নের মামুনুর রশীদ বলেন, অধ্যাপক জসিম উদ্দিন শিক্ষা আর ন্যায়ের কথা বলেন এই এলাকার জন্য এটাই সবচেয়ে দরকার। আগামী  ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদিন ঘোড়া প্রতিকে ভোট দিন।ইউনিয়নের প্রায় সকল ভোটার বেদেছে জোট ঘোড়া প্রতিকের পক্ষে। দেওখোলা ইউনিয়নের একজন শিক্ষানবিস আইনজীবী আবু তাহের বলেন,উন্নয়ন মানে শুধু রাস্তা নয়, মানুষের অধিকার। জসিম স্যার সেই রাজনীতিই করেন। স্যার বিজয়ী হলে আমরা সবাই কথা বলতে পারবো ইনশাআল্লাহ। 

স্বতন্ত্রদের উন্নয়ন ভাবনা ও জনগণের স্বপ্ন

অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, তিনি দীর্ঘদিনের বঞ্চনা দূর করে শিক্ষা, ন্যায়বিচার, কর্মসংস্থান ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চান। তাঁর লক্ষ্য শিক্ষার মানোন্নয়ন, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ

সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা

ক্ষমতা নয়, মানুষের অধিকার এর জন্য কাজ করবো। চাঁদাবাজ দূর্নীতি বাজ থাকবে না। ন্যায়এর পক্ষে কাজ করবো। অন্যদিকে অধ্যক্ষ আখতার সুলতানা বলেন, তিনি সাবেক এমপি শামছ উদ্দিন আহমদের রেখে যাওয়া সব উন্নয়ন স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবেন। তাঁর অঙ্গীকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন নারীর ক্ষমতায়ন অসহায় মানুষের পাশে থাকা।

সব মিলিয়ে ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে এখন আর দলীয় প্রতীকের দাপট নেই। ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লা কার্যত কোণঠাসা, অনেকের ভাষায় কপাল পুড়া দশা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে চূড়ান্ত লড়াই হবে ফুটবল বনাম ঘোড়া যেখানে জনগণের ভালোবাসা, দুঃখ-কষ্ট আর প্রত্যাশাই নির্ধারণ করবে বিজয়ী।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত