গাজীপুর মহানগর বাসন থানার অধীনস্থ নাওজোড় ফ্লাইওভারের নিচে দীর্ঘ কয়েক মাস যাবৎ চলছে মাদক সেবন ও মাদক বিক্রি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে সংবাদগুলো নজরে নেয় জিএমপি এবং অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়। একদিন দুদিন মাদক সেবন মাদক বিক্রি বন্ধ থাকে। তারপরে কথিত কোন ছত্রছায়ায় আবারও শুরু হয় মাদক বাণিজ্য।
তথ্যসূত্রে জানা যায়, রাজনীতির সাথে জড়িত কথিত সন্ত্রাসী বাহিনীর ছত্রছায়ায় এই মাদক সেবন ও মাদক বিক্রি হচ্ছে। জানাজায় কথিত গাজীপুর চৌরাস্তার কয়েকজন সংবাদ কর্মী ও জড়িত আছেন। কোন সংবাদ প্রকাশ ছাড়াই তারা সংবাদ কর্মী হিসেবে নাওজোড় ফ্লাইওভারের নিচে বসে থাকেন দিনরাত। দৈনিক ৩০০০,১০০০,৫০০,২০০, এমন টাকা নিয়ে সেল্টার দিচ্ছেন তারা। মাদক বিক্রি চক্রের সাথে আতাত করে এ অবৈধ বাণিজ্য চালাচ্ছেন তারা বলে জানা যায়।
আরও পড়ুন, গাজীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ করে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই
তবে পুলিশ বলছেন, মাদক সেবন মাদক বিক্রি আইনগত অপরাধ। যারাই করুক তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার নাওজড়ে অভিযান পরিচালনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই আবারো অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। তবে স্থানীয়রা বলছেন, ফ্লাই ওভারের নিচে অবস্থানরত বস্তি পুরোপুরি উচ্ছেদ না করা পর্যন্ত এ মাদক বিক্রি বন্ধ হবে না। এই বস্তির কারণে যান যট নিরসন হচ্ছে না। পুরোপুরি উচ্ছেদ করে দিলে যানজট নিরসন ও মাদক বিক্রি বন্ধ হবে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৬
গাজীপুর মহানগর বাসন থানার অধীনস্থ নাওজোড় ফ্লাইওভারের নিচে দীর্ঘ কয়েক মাস যাবৎ চলছে মাদক সেবন ও মাদক বিক্রি। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে সংবাদগুলো নজরে নেয় জিএমপি এবং অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়। একদিন দুদিন মাদক সেবন মাদক বিক্রি বন্ধ থাকে। তারপরে কথিত কোন ছত্রছায়ায় আবারও শুরু হয় মাদক বাণিজ্য।
তথ্যসূত্রে জানা যায়, রাজনীতির সাথে জড়িত কথিত সন্ত্রাসী বাহিনীর ছত্রছায়ায় এই মাদক সেবন ও মাদক বিক্রি হচ্ছে। জানাজায় কথিত গাজীপুর চৌরাস্তার কয়েকজন সংবাদ কর্মী ও জড়িত আছেন। কোন সংবাদ প্রকাশ ছাড়াই তারা সংবাদ কর্মী হিসেবে নাওজোড় ফ্লাইওভারের নিচে বসে থাকেন দিনরাত। দৈনিক ৩০০০,১০০০,৫০০,২০০, এমন টাকা নিয়ে সেল্টার দিচ্ছেন তারা। মাদক বিক্রি চক্রের সাথে আতাত করে এ অবৈধ বাণিজ্য চালাচ্ছেন তারা বলে জানা যায়।
আরও পড়ুন, গাজীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ করে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই
তবে পুলিশ বলছেন, মাদক সেবন মাদক বিক্রি আইনগত অপরাধ। যারাই করুক তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার নাওজড়ে অভিযান পরিচালনা হয়েছে। খুব শীঘ্রই আবারো অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে। তবে স্থানীয়রা বলছেন, ফ্লাই ওভারের নিচে অবস্থানরত বস্তি পুরোপুরি উচ্ছেদ না করা পর্যন্ত এ মাদক বিক্রি বন্ধ হবে না। এই বস্তির কারণে যান যট নিরসন হচ্ছে না। পুরোপুরি উচ্ছেদ করে দিলে যানজট নিরসন ও মাদক বিক্রি বন্ধ হবে।

আপনার মতামত লিখুন