মানিকগঞ্জ, বান্দরবান, মেহেরপুর, জয়পুরহাটসহ আট জেলায় ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড) উদ্বোধন করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
বুধবার সকাল ১০টায় সচিবালয়ে এ সেবার উদ্বোধন করেন তিনি। জানা গেছে, ই-বেইলবন্ড চালুর মাধ্যমে একজন বন্দিকে খুব দ্রুত মুক্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অনলাইনে বেইলবন্ড দেওয়ায় আসামিকে এক ঘণ্টায় মুক্তি দেওয়া সম্ভব হবে।
আরো পড়ুন , বাজল ভোটের বাঁশি শুরু হচ্ছে নির্বাচনের কার্যক্রম
আইন উপদেষ্টা বলেন, এর আগে দশ থেকে বারো ধাপ পার হয়ে জামিন পেতেন আসামিরা। এতে মানুষের টাকা খরচ হতো এবং ভোগান্তি হতো। তাছাড়া এই প্রক্রিয়ায় কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লাগতো। অনলাইনে এই প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় কে কখন সাইন করলেন তার রেকর্ড থাকবে। ফলে চাইলেও কেউ এটাকে দীর্ঘায়িত করতে পারবে না।
বিচার ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও বিচারপ্রার্থী জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে প্রচলিত বেইলবন্ড দাখিল পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল মাধ্যমে ই-বেইলবন্ড প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ বিচারপ্রার্থী, কারা প্রশাসন ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ে সহায়ক হবে বলে মনে করছে আইন মন্ত্রণালয়।
বিষয় : উদ্বোধন আসিফ নজরুল ই-বেইলবন্ড

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬
মানিকগঞ্জ, বান্দরবান, মেহেরপুর, জয়পুরহাটসহ আট জেলায় ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড) উদ্বোধন করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
বুধবার সকাল ১০টায় সচিবালয়ে এ সেবার উদ্বোধন করেন তিনি। জানা গেছে, ই-বেইলবন্ড চালুর মাধ্যমে একজন বন্দিকে খুব দ্রুত মুক্তি দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অনলাইনে বেইলবন্ড দেওয়ায় আসামিকে এক ঘণ্টায় মুক্তি দেওয়া সম্ভব হবে।
আরো পড়ুন , বাজল ভোটের বাঁশি শুরু হচ্ছে নির্বাচনের কার্যক্রম
আইন উপদেষ্টা বলেন, এর আগে দশ থেকে বারো ধাপ পার হয়ে জামিন পেতেন আসামিরা। এতে মানুষের টাকা খরচ হতো এবং ভোগান্তি হতো। তাছাড়া এই প্রক্রিয়ায় কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লাগতো। অনলাইনে এই প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় কে কখন সাইন করলেন তার রেকর্ড থাকবে। ফলে চাইলেও কেউ এটাকে দীর্ঘায়িত করতে পারবে না।
বিচার ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও বিচারপ্রার্থী জনগণের দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে প্রচলিত বেইলবন্ড দাখিল পদ্ধতির পরিবর্তে ডিজিটাল মাধ্যমে ই-বেইলবন্ড প্রবর্তনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ বিচারপ্রার্থী, কারা প্রশাসন ও আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট সবার সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ে সহায়ক হবে বলে মনে করছে আইন মন্ত্রণালয়।

আপনার মতামত লিখুন