আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ভোলা-২ (দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন) আসনের ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও নিউইয়র্ক শ্রমিক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আলম। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও প্রত্যন্ত এলাকায় দিন-রাত গণসংযোগ চালিয়ে যান। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে তিনি বিএনপির বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আলমের রয়েছে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক। চাইলে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন। কিন্তু দলের শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্তকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি সেই পথ বেছে নেননি। দৌলতখান উপজেলা বিএনপির এক সিনিয়র নেতা বলেন, “জাহাঙ্গীর ভাই একজন পরীক্ষিত ত্যাগী নেতা। তার জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। দলের সিদ্ধান্ত মেনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দলের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রমাণ।”
আরও পড়ুন, গাইবান্ধায় গণভোট নিয়ে মতবিনিময় সভায় স্লোগান বক্তব্য অসমাপ্ত রেখে মঞ্চ ছাড়লেন ড. আসিফ নজরুল
বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির আরেক নেতা বলেন, “আজকের দিনে এমন নেতা খুব কম দেখা যায়, যিনি ব্যক্তিগত সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দলের স্বার্থকে প্রাধান্য দেন। জাহাঙ্গীর আলম আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।” এদিকে জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আলম সম্প্রতি নিজের ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন, যা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আবেগাপ্লুত করেছে।
পোস্টে তিনি লেখেন—
ফ্যাসিবাদ হাসিনার বিরুদ্ধে আমি বিগত ১৭ বছর যুক্তরাষ্ট্রে স্বৈরশাসক হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি এবং বিভিন্ন সময় নেতা কর্মীদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করে এসেছি। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আলম বলেন, “আমি বিএনপির একজন কর্মী। দলের সিদ্ধান্তই আমার কাছে চূড়ান্ত। দেশনায়ক তারেক রহমান যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেটাই আমাদের সবার জন্য পথনির্দেশ। ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়ার চেয়ে দল ও দেশের স্বার্থ অনেক বড়।”
তিনি আরও বলেন, “আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও মাঠ ছাড়িনি। দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনের মানুষের পাশে আগের মতোই থাকবো। ইনশাআল্লাহ বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত থাকবো।” দলের প্রতি তার এই ত্যাগ, আনুগত্য ও আত্মনিবেদন স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ভোলা-২ (দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন) আসনের ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও নিউইয়র্ক শ্রমিক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আলম। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশনায় ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও প্রত্যন্ত এলাকায় দিন-রাত গণসংযোগ চালিয়ে যান। সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে তিনি বিএনপির বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা জানান, জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আলমের রয়েছে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থক। চাইলে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও নির্বাচনে অংশ নিতে পারতেন। কিন্তু দলের শৃঙ্খলা ও সিদ্ধান্তকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তিনি সেই পথ বেছে নেননি। দৌলতখান উপজেলা বিএনপির এক সিনিয়র নেতা বলেন, “জাহাঙ্গীর ভাই একজন পরীক্ষিত ত্যাগী নেতা। তার জনপ্রিয়তা প্রশ্নাতীত। দলের সিদ্ধান্ত মেনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দলের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসার প্রমাণ।”
আরও পড়ুন, গাইবান্ধায় গণভোট নিয়ে মতবিনিময় সভায় স্লোগান বক্তব্য অসমাপ্ত রেখে মঞ্চ ছাড়লেন ড. আসিফ নজরুল
বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির আরেক নেতা বলেন, “আজকের দিনে এমন নেতা খুব কম দেখা যায়, যিনি ব্যক্তিগত সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও দলের স্বার্থকে প্রাধান্য দেন। জাহাঙ্গীর আলম আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।” এদিকে জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আলম সম্প্রতি নিজের ফেসবুক ওয়ালে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের কথা তুলে ধরেন, যা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের আবেগাপ্লুত করেছে।
পোস্টে তিনি লেখেন—
ফ্যাসিবাদ হাসিনার বিরুদ্ধে আমি বিগত ১৭ বছর যুক্তরাষ্ট্রে স্বৈরশাসক হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করেছি এবং বিভিন্ন সময় নেতা কর্মীদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করে এসেছি। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আলম বলেন, “আমি বিএনপির একজন কর্মী। দলের সিদ্ধান্তই আমার কাছে চূড়ান্ত। দেশনায়ক তারেক রহমান যে নির্দেশনা দিয়েছেন, সেটাই আমাদের সবার জন্য পথনির্দেশ। ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়ার চেয়ে দল ও দেশের স্বার্থ অনেক বড়।”
তিনি আরও বলেন, “আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও মাঠ ছাড়িনি। দৌলতখান ও বোরহানউদ্দিনের মানুষের পাশে আগের মতোই থাকবো। ইনশাআল্লাহ বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত থাকবো।” দলের প্রতি তার এই ত্যাগ, আনুগত্য ও আত্মনিবেদন স্থানীয় বিএনপির রাজনীতিতে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন