বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার আট বছর পরও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আদালত। চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সংঘটিত ওই আলোচিত ঘটনার পুনঃতদন্তে দীর্ঘসূত্রতা সৃষ্টি হওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তাকে দ্রুত রিপোর্ট দাখিলের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত রোববার (১১ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক সায়মা আফরীন হীমা মামলার অগ্রগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে অবিলম্বে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী।
মামলার নথি ও বাদীপক্ষের তথ্যে জানা গেছে, ২০১৭ সালে রাঙামাটিতে পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার পথে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইছাখালী বাজার এলাকায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় বহরের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং গাড়ির কাচ ভেঙে গুরুতর আহত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ অন্তত ছয়জন নেতা। পরিস্থিতি বিবেচনায় ত্রাণ কর্মসূচি বাতিল করে নেতারা চট্টগ্রাম নগরে ফিরে আসেন এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে হামলার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
এই ঘটনায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এনামুল হক বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। তবে সে সময় পুলিশ ‘অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি’ উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেওয়ায় মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। পরে ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর আদালতে দায়ের করা রিভিশন মামলার শুনানি শেষে আদালত মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন। বাদী অ্যাডভোকেট এনামুল হকের মতে, ২০১৭ সালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা চালালেও তখন কেউ মামলা করার সাহস পাননি। আমি নিজেই ঘটনার দুই দিন পর বাদী হয়ে মামলা করি।
আরও পড়ুন, মহেশপুরে পুলিশের পোশাকে ডাকাতির চেষ্টা, আটক ১
কিন্তু রাজনৈতিক চাপে তখন মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়। মামলার আসামি তালিকায় রয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরীর নাম রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার আট বছর পরও মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়ায় চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আদালত। চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সংঘটিত ওই আলোচিত ঘটনার পুনঃতদন্তে দীর্ঘসূত্রতা সৃষ্টি হওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তাকে দ্রুত রিপোর্ট দাখিলের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত রোববার (১১ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর বিচারক সায়মা আফরীন হীমা মামলার অগ্রগতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে অবিলম্বে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী।
মামলার নথি ও বাদীপক্ষের তথ্যে জানা গেছে, ২০১৭ সালে রাঙামাটিতে পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ত্রাণ নিয়ে যাওয়ার পথে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ইছাখালী বাজার এলাকায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় বহরের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয় এবং গাড়ির কাচ ভেঙে গুরুতর আহত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ অন্তত ছয়জন নেতা। পরিস্থিতি বিবেচনায় ত্রাণ কর্মসূচি বাতিল করে নেতারা চট্টগ্রাম নগরে ফিরে আসেন এবং চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে হামলার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
এই ঘটনায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট এনামুল হক বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। তবে সে সময় পুলিশ ‘অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি’ উল্লেখ করে প্রতিবেদন দেওয়ায় মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। পরে ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর আদালতে দায়ের করা রিভিশন মামলার শুনানি শেষে আদালত মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করে পুনঃতদন্তের নির্দেশ দেন। বাদী অ্যাডভোকেট এনামুল হকের মতে, ২০১৭ সালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা মির্জা ফখরুলের গাড়িবহরে হামলা চালালেও তখন কেউ মামলা করার সাহস পাননি। আমি নিজেই ঘটনার দুই দিন পর বাদী হয়ে মামলা করি।
আরও পড়ুন, মহেশপুরে পুলিশের পোশাকে ডাকাতির চেষ্টা, আটক ১
কিন্তু রাজনৈতিক চাপে তখন মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা হয়। মামলার আসামি তালিকায় রয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা। অভিযুক্তদের মধ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ রেজাউল করিম চৌধুরীর নাম রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন