ঢাকা-১৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে শুধু বিএনপির সংসদ সদস্য হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবেন না; বরং দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে , দাঁড়াবেন। একটি জনপ্রিয় রেডিও টকশোতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে মিল্টন বলেন, আমি এমপি হলে শুধু বিএনপির এমপি তো আর হবো না। আওয়ামী লীগের কেউ যদি এসে বলে বাবা, আমি বিপদে পড়েছি, আমার এইটা দরকার তাহলে কি আমি সাহায্য করবো না? দলীয় গণ্ডির বাইরে ‘জনপ্রতিনিধি’ হওয়ার অঙ্গীকার রেডিও আলোচনায় শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন জোর দিয়ে বলেন, একজন সংসদ সদস্যের প্রধান দায়িত্ব হলো মানুষের সেবা করা, দলীয় পরিচয় নয়। তার ভাষায়, এমপি মানেই শুধু রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নয়, বরং তিনি পুরো এলাকার জনগণের অভিভাবক।
তিনি আরও বলেন, মানুষ কষ্টে থাকলে তার পরিচয় আগে মানুষ সে কোন দল করে সেটা পরে। জনপ্রতিনিধি হলে সবার দায়িত্ব নিতে হয়। রাজনৈতিক বাস্তবতায় ব্যতিক্রমী বার্তা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, যেখানে দলীয় বিভাজন প্রকট, সেখানে মিল্টনের এই বক্তব্যকে অনেকেই দেখছেন সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির ইঙ্গিত হিসেবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে এবং জনপ্রতিনিধির ভূমিকাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে। ভোটারদের প্রতি আস্থার আহ্বান সাক্ষাৎকারে তিনি ঢাকা-১৫ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচিত হলে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নাগরিক সেবা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করবেন। দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই তার লক্ষ্য বলে জানান।
আরও পড়ুন, শীতার্তদের পাশে পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের তিন শতাধিক অসহায়ের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
রেডিও টকশোতে দেওয়া এই বক্তব্যের মাধ্যমে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন নিজেকে একজন সর্বজনীন প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন যেখানে দল নয়, মানুষই মুখ্য। আসন্ন নির্বাচনী লড়াইয়ে এই অবস্থান কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে ভোটারদের সিদ্ধান্তের ওপর।

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-১৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে শুধু বিএনপির সংসদ সদস্য হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবেন না; বরং দল-মত নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে , দাঁড়াবেন। একটি জনপ্রিয় রেডিও টকশোতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থাপকের প্রশ্নের জবাবে মিল্টন বলেন, আমি এমপি হলে শুধু বিএনপির এমপি তো আর হবো না। আওয়ামী লীগের কেউ যদি এসে বলে বাবা, আমি বিপদে পড়েছি, আমার এইটা দরকার তাহলে কি আমি সাহায্য করবো না? দলীয় গণ্ডির বাইরে ‘জনপ্রতিনিধি’ হওয়ার অঙ্গীকার রেডিও আলোচনায় শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন জোর দিয়ে বলেন, একজন সংসদ সদস্যের প্রধান দায়িত্ব হলো মানুষের সেবা করা, দলীয় পরিচয় নয়। তার ভাষায়, এমপি মানেই শুধু রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নয়, বরং তিনি পুরো এলাকার জনগণের অভিভাবক।
তিনি আরও বলেন, মানুষ কষ্টে থাকলে তার পরিচয় আগে মানুষ সে কোন দল করে সেটা পরে। জনপ্রতিনিধি হলে সবার দায়িত্ব নিতে হয়। রাজনৈতিক বাস্তবতায় ব্যতিক্রমী বার্তা বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, যেখানে দলীয় বিভাজন প্রকট, সেখানে মিল্টনের এই বক্তব্যকে অনেকেই দেখছেন সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির ইঙ্গিত হিসেবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে এবং জনপ্রতিনিধির ভূমিকাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করে। ভোটারদের প্রতি আস্থার আহ্বান সাক্ষাৎকারে তিনি ঢাকা-১৫ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, নির্বাচিত হলে এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নাগরিক সেবা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে তিনি কাজ করবেন। দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই তার লক্ষ্য বলে জানান।
আরও পড়ুন, শীতার্তদের পাশে পলাশবাড়ী প্রেসক্লাবের তিন শতাধিক অসহায়ের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ
রেডিও টকশোতে দেওয়া এই বক্তব্যের মাধ্যমে শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন নিজেকে একজন সর্বজনীন প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন যেখানে দল নয়, মানুষই মুখ্য। আসন্ন নির্বাচনী লড়াইয়ে এই অবস্থান কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করবে ভোটারদের সিদ্ধান্তের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন