দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২৬

মাদারগঞ্জে বিএসটিআই অনুমোদনহীন কেমিক্যালযুক্ত শিশুখাদ্যে বাজার সয়লাব: ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

মাদারগঞ্জে বিএসটিআই অনুমোদনহীন কেমিক্যালযুক্ত শিশুখাদ্যে বাজার সয়লাব: ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

চকরিয়ায় অসহায়ের  পাশে -  জননেতা  আব্দুল্লাহ আল ফারুক

চকরিয়ায় অসহায়ের পাশে - জননেতা আব্দুল্লাহ আল ফারুক

সিরাজগঞ্জে শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ, স্বস্তি পথচারীদের

সিরাজগঞ্জে শতবর্ষী কড়ই গাছের ঝুঁকিপূর্ণ শুকনো ডাল অপসারণ, স্বস্তি পথচারীদের

বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

বিশেষ অভিযানে অস্ত্র মামলার আসামিসহ ৪ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

‘অসময়ের বন্ধু’র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মেধাবীদের হাতে সম্মাননা

‘অসময়ের বন্ধু’র উদ্যোগে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, মেধাবীদের হাতে সম্মাননা

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি পরিবারে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন - এমপি খোকন  তালুকদার

মাদারীপুরের কালকিনি ও ডাসারে দুইটি পরিবারে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেন - এমপি খোকন তালুকদার

মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের পথে এনসিপি নেতারা, হামলার বিচার ও নিরাপত্তার দাবি

মৌলভীবাজার থেকে সিলেটের পথে এনসিপি নেতারা, হামলার বিচার ও নিরাপত্তার দাবি

বড় বড় গর্তে বেহাল সড়ক, গংগাচড়ার বড়বিলে দুর্ভোগে দেড় হাজার মানুষ

বড় বড় গর্তে বেহাল সড়ক, গংগাচড়ার বড়বিলে দুর্ভোগে দেড় হাজার মানুষ

শীতের রাতে ফুটপাতে জড়ো সস্তায় গরম কাপড় খুঁজছে স্বল্প আয়ের মানুষ

শীতের রাতে ফুটপাতে জড়ো সস্তায় গরম কাপড় খুঁজছে স্বল্প আয়ের মানুষ
শীতের রাতে ফুটপাতে জড়ো মানুষ

কনকনে শীতে কাঁপছে মানিকগঞ্জের সাধারণ মানুষ। শীত নিবারণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো। পরিবারের সদস্যদের কোনোমতে ঠান্ডা থেকে রক্ষা করতে অনেকেই ভরসা করছেন ফুটপাতের ভ্রাম্যমাণ ভ্যানে বিক্রি হওয়া শীতবস্ত্রের ওপর। তবে এখানেও বাজেটের সঙ্গে মিলছে না প্রয়োজন।মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ওভারব্রিজের নিচে সারি সারি ভ্যানে বিক্রি হচ্ছে সোয়েটার, চাদর, মোজা, মাফলারসহ বিভিন্ন ধরনের শীতের পোশাক। ভিড় করছেন মূলত দিনমজুর, রিকশাচালক ও নিম্ন আয়ের মানুষ।ঘিওর উপজেলার বাসিন্দা মিরাজ মিয়া বলেন, বাচ্চাদের জন্য সোয়েটার কিনতে পৌর মার্কেটে গিয়েছিলাম। কিন্তু দুইটা সোয়েটারের দাম এগারোশ টাকার নিচে কেউ দিতে চায় না। আমার বাজেট ছিল আটশ টাকা। শেষে ফুটপাতের ভ্যান থেকে পাঁচশ পঞ্চাশ টাকায় দুইটা সোয়েটার কিনেছি।

আরো পড়ুন , বগুড়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার বাসিন্দা নিলুফা বেগম (৭৭), যিনি একসময় স্কুলে শিক্ষকতা করতেন, বলেন, আগে ফুটপাতে ভালো ভালো বিদেশি সোয়েটার, জ্যাকেট, জাম্পার কম দামে পাওয়া যেত। সেগুলো থাকলে আমাদের মতো মানুষদের এত কষ্ট হতো না।শীতের কাপড় কিনতে আসা সুফিয়া বেগম (৭৭) আক্ষেপ করে বলেন, আগে কম্বল পাওয়া যেত। এখন আর পাওয়া যায় না। ঠান্ডার সময় না পাইলে গরমে পাইলে কী হবে? এখন পাইলে আর কিনতে হইতো না।অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভ্রাম্যমাণ কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, রাস্তার পাশে ভ্যানে করে ব্যবসা করার সুযোগও নেই। পুলিশ দাঁড়াতে দেয় না। খুব সমস্যার মধ্যে আছি। আমাদের যদি একটা নির্দিষ্ট জায়গায় বসার ব্যবস্থা করে দিত, তাহলে গরিব মানুষগুলো বাঁচতাম।

বিষয় : মানিকগঞ্জ শীতবস্ত্র ফুটপাত

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬


শীতের রাতে ফুটপাতে জড়ো সস্তায় গরম কাপড় খুঁজছে স্বল্প আয়ের মানুষ

প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

কনকনে শীতে কাঁপছে মানিকগঞ্জের সাধারণ মানুষ। শীত নিবারণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো। পরিবারের সদস্যদের কোনোমতে ঠান্ডা থেকে রক্ষা করতে অনেকেই ভরসা করছেন ফুটপাতের ভ্রাম্যমাণ ভ্যানে বিক্রি হওয়া শীতবস্ত্রের ওপর। তবে এখানেও বাজেটের সঙ্গে মিলছে না প্রয়োজন।মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ওভারব্রিজের নিচে সারি সারি ভ্যানে বিক্রি হচ্ছে সোয়েটার, চাদর, মোজা, মাফলারসহ বিভিন্ন ধরনের শীতের পোশাক। ভিড় করছেন মূলত দিনমজুর, রিকশাচালক ও নিম্ন আয়ের মানুষ।ঘিওর উপজেলার বাসিন্দা মিরাজ মিয়া বলেন, বাচ্চাদের জন্য সোয়েটার কিনতে পৌর মার্কেটে গিয়েছিলাম। কিন্তু দুইটা সোয়েটারের দাম এগারোশ টাকার নিচে কেউ দিতে চায় না। আমার বাজেট ছিল আটশ টাকা। শেষে ফুটপাতের ভ্যান থেকে পাঁচশ পঞ্চাশ টাকায় দুইটা সোয়েটার কিনেছি।

আরো পড়ুন , বগুড়ার ইতিহাস ও ঐতিহ্য শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার বাসিন্দা নিলুফা বেগম (৭৭), যিনি একসময় স্কুলে শিক্ষকতা করতেন, বলেন, আগে ফুটপাতে ভালো ভালো বিদেশি সোয়েটার, জ্যাকেট, জাম্পার কম দামে পাওয়া যেত। সেগুলো থাকলে আমাদের মতো মানুষদের এত কষ্ট হতো না।শীতের কাপড় কিনতে আসা সুফিয়া বেগম (৭৭) আক্ষেপ করে বলেন, আগে কম্বল পাওয়া যেত। এখন আর পাওয়া যায় না। ঠান্ডার সময় না পাইলে গরমে পাইলে কী হবে? এখন পাইলে আর কিনতে হইতো না।অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভ্রাম্যমাণ কাপড় ব্যবসায়ী বলেন, রাস্তার পাশে ভ্যানে করে ব্যবসা করার সুযোগও নেই। পুলিশ দাঁড়াতে দেয় না। খুব সমস্যার মধ্যে আছি। আমাদের যদি একটা নির্দিষ্ট জায়গায় বসার ব্যবস্থা করে দিত, তাহলে গরিব মানুষগুলো বাঁচতাম।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত