সয়াবিন তেল ও পাম তেলের দাম সরকারকে চাপে ফেলে লিটারপ্রতি ৬ টাকা বাড়িয়েছে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানাগুলোর মালিকপক্ষ। কাগজে-কলমে নির্ধারিত দামের অস্তিত্ব থাকলেও বাস্তবে পুরোটাই ধোঁকা। প্রশাসনের কোনো অংশকে ম্যানেজ করে সরকারের সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে বাজারে লিটারপ্রতি আরও ৯ টাকা বেশি দরে সয়াবিন বিক্রি করছে-তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাজার বিশ্লেষকরা। এদিকে রাজধানীর একাধিক বাজারের মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সেই মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, শুক্রবার প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ১৮৫ টাকায়। যা সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৭৬ টাকা। অর্থাৎ সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে খুচরা বাজারে ক্রেতার কাছ থেকে লিটারে ৯ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে।
আরো পড়ুন , ঘন কুয়াশার প্রভাবে ঢাকায় নামতে পারেনি ৮ ফ্লাইট
টিসিবির মূল্য অনুযায়ী দেখা যায়, শুক্রবার প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ১৯৮ টাকা। যা সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৯৫ থেকে ৩ টাকা বেশি। এছাড়া বাজারে প্রতিলিটার খোলা পাম অয়েল বিক্রি হয়েছে ১৬৬ টাকা দরে। যা সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৬২ টাকা। ক্রেতার কাছ থেকে লিটারপ্রতি বাড়তি নেওয়া হয় ৪ টাকা। গত ৭ ডিসেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠকের পর লিটারপ্রতি ৬ টাকা বাড়িয়ে মূল্য ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। যা ৮ ডিসেম্বর থেকে বাজারে কার্যকর হয়। সংগঠনের তরফ থেকে ‘নতুন দাম অনুযায়ী এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হবে ১৯৫ টাকায়। যা আগে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৮৯ টাকা ছিল। পাশাপাশি প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৬ টাকা। যা আগে ১৭০ টাকা ছিল। অন্যদিকে প্রতিলিটার পাম তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৬ টাকা। সঙ্গে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৫৫ টাকা।’

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
সয়াবিন তেল ও পাম তেলের দাম সরকারকে চাপে ফেলে লিটারপ্রতি ৬ টাকা বাড়িয়েছে ভোজ্যতেল পরিশোধন কারখানাগুলোর মালিকপক্ষ। কাগজে-কলমে নির্ধারিত দামের অস্তিত্ব থাকলেও বাস্তবে পুরোটাই ধোঁকা। প্রশাসনের কোনো অংশকে ম্যানেজ করে সরকারের সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে বাজারে লিটারপ্রতি আরও ৯ টাকা বেশি দরে সয়াবিন বিক্রি করছে-তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাজার বিশ্লেষকরা। এদিকে রাজধানীর একাধিক বাজারের মূল্য পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিবেদন তৈরি করে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। সেই মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, শুক্রবার প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ১৮৫ টাকায়। যা সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৭৬ টাকা। অর্থাৎ সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে খুচরা বাজারে ক্রেতার কাছ থেকে লিটারে ৯ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে।
আরো পড়ুন , ঘন কুয়াশার প্রভাবে ঢাকায় নামতে পারেনি ৮ ফ্লাইট
টিসিবির মূল্য অনুযায়ী দেখা যায়, শুক্রবার প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ১৯৮ টাকা। যা সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৯৫ থেকে ৩ টাকা বেশি। এছাড়া বাজারে প্রতিলিটার খোলা পাম অয়েল বিক্রি হয়েছে ১৬৬ টাকা দরে। যা সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৬২ টাকা। ক্রেতার কাছ থেকে লিটারপ্রতি বাড়তি নেওয়া হয় ৪ টাকা। গত ৭ ডিসেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বৈঠকের পর লিটারপ্রতি ৬ টাকা বাড়িয়ে মূল্য ঘোষণা করেছিল বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। যা ৮ ডিসেম্বর থেকে বাজারে কার্যকর হয়। সংগঠনের তরফ থেকে ‘নতুন দাম অনুযায়ী এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হবে ১৯৫ টাকায়। যা আগে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৮৯ টাকা ছিল। পাশাপাশি প্রতিলিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১৭৬ টাকা। যা আগে ১৭০ টাকা ছিল। অন্যদিকে প্রতিলিটার পাম তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬৬ টাকা। সঙ্গে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৫৫ টাকা।’

আপনার মতামত লিখুন