আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই হিসাবে আর মাত্র এক মাস পর দেশের জনগণ নির্বাচিত সরকার পেতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভিন্ন এক বাস্তবতায়। আসন্ন এ নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলো আসন সমঝোতা বা জোটবদ্ধ হয়ে ভোটের মাঠে লড়াই করছে। কার্যত একদিকে বিএনপির নেতৃত্বে গড়া জোট, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গড়া জোটের মধ্যেই মূল লড়াই হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর এই দুই শক্তিই প্রকাশ্যে ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের কথা বললেও সেই সরকারের কাঠামো, অংশীদারত্ব ও বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে স্পষ্ট বিভাজন দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।ভোটের উত্তাপের পাশাপাশি এখন নির্বাচনোত্তর জাতীয় সরকারের কাঠামো নিয়েও রাজনীতির ময়দানে চলছে নানাবিধ আলোচনা-গুঞ্জন।
আরো পড়ুন , রাজধানীতে শীতের দাপট বাড়ার পূর্বাভাস
এ ক্ষেত্রে সময়, পরিস্থিতি এবং দল ও জোটগুলোর কৌশল ও চাওয়া পাওয়াতেই চূড়ান্ত হবে নির্বাচনোত্তর জাতীয় সরকার। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।রাজনীতির মাঠের এই দুই শক্তিই নির্বাচনে জয়লাভ করলে ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করে দেশ পরিচালনার কথা বলছে। বিএনপি নির্দিষ্ট করে বলছে- আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী সরকার গঠন করা হবে। এরই মধ্যে এই আলোচনায় অনেক ডালাপালা মেলেছে। প্রশ্ন উঠছে, এক সময়ে চারদলীয় জোটে থাকা বিএনপি-জামায়াত মিলে জাতীয় সরকার গঠন করবে? সেক্ষেত্রে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকার কী হবে? বিশ্লেষকরা মনে করেন, বেশ কয়েক বছর ধরেই বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সম্পর্কের দূরত্ব বেড়েছে। জাতীয় সরকার হলেও সেটা ভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হতে পারে।
বিষয় : ভোট ভাবনাচিন্তা বাস্তবতা

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই হিসাবে আর মাত্র এক মাস পর দেশের জনগণ নির্বাচিত সরকার পেতে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভিন্ন এক বাস্তবতায়। আসন্ন এ নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলো আসন সমঝোতা বা জোটবদ্ধ হয়ে ভোটের মাঠে লড়াই করছে। কার্যত একদিকে বিএনপির নেতৃত্বে গড়া জোট, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গড়া জোটের মধ্যেই মূল লড়াই হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর এই দুই শক্তিই প্রকাশ্যে ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের কথা বললেও সেই সরকারের কাঠামো, অংশীদারত্ব ও বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে স্পষ্ট বিভাজন দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক অঙ্গনে।ভোটের উত্তাপের পাশাপাশি এখন নির্বাচনোত্তর জাতীয় সরকারের কাঠামো নিয়েও রাজনীতির ময়দানে চলছে নানাবিধ আলোচনা-গুঞ্জন।
আরো পড়ুন , রাজধানীতে শীতের দাপট বাড়ার পূর্বাভাস
এ ক্ষেত্রে সময়, পরিস্থিতি এবং দল ও জোটগুলোর কৌশল ও চাওয়া পাওয়াতেই চূড়ান্ত হবে নির্বাচনোত্তর জাতীয় সরকার। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।রাজনীতির মাঠের এই দুই শক্তিই নির্বাচনে জয়লাভ করলে ‘জাতীয় সরকার’ গঠন করে দেশ পরিচালনার কথা বলছে। বিএনপি নির্দিষ্ট করে বলছে- আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে পরবর্তী সরকার গঠন করা হবে। এরই মধ্যে এই আলোচনায় অনেক ডালাপালা মেলেছে। প্রশ্ন উঠছে, এক সময়ে চারদলীয় জোটে থাকা বিএনপি-জামায়াত মিলে জাতীয় সরকার গঠন করবে? সেক্ষেত্রে সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকার কী হবে? বিশ্লেষকরা মনে করেন, বেশ কয়েক বছর ধরেই বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে সম্পর্কের দূরত্ব বেড়েছে। জাতীয় সরকার হলেও সেটা ভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন