রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথমবারের মতো সিলেট সফরে যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তাকে বহনকারী বিমান সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের কথা রয়েছে।সফরসূচি অনুযায়ী সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হবেন রাষ্ট্রপতি। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর মোটর শোভাযাত্রা করে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে সিলেট সার্কিট হাউজে যাবেন তিনি।সার্কিট হাউজে গার্ড অব অনার গ্রহণ করবেন রাষ্ট্রপতি। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টায় হযরত শাহজালাল রহমাতুল্লাহি আলাইহির মাজার জিয়ারত করবেন। পরে দুপুর ১টা ২৫ মিনিটে হযরত শাহপরান রহমাতুল্লাহি আলাইহির মাজারে যাবেন তিনি।সফরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিকেল ।আরও পড়ুন, ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রস্তুত: ৭ ধাপে ভোট, শুরু ১২ নভেম্বর সাড়ে ৩টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নগর ভবনে সিলেট সিটি করপোরেশন আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেবেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।অনুষ্ঠান শেষে সার্কিট হাউজে অবস্থান করবেন রাষ্ট্রপতি। রাত ৮টায় বিমানযোগে সিলেট থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা রয়েছে তার।এদিকে রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে সিলেট মহানগরীতে নেওয়া হয়েছে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা। সিলেট মহানগর পুলিশ জানিয়েছে সফরের দিন এক হাজার পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত আরও ২০০ সদস্য দায়িত্বে থাকবেন।এর বাইরে পুলিশের বিশেষ ইউনিটগুলোকেও নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হয়েছে। রাষ্ট্রপতির সফর নির্বিঘ্ন করতে বিমানবন্দর থেকে শুরু করে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
অপরাধ দমনে পুলিশ বদ্ধপরিক। তারেই নিরিখে কক্সবাজারের মাতামুহুরীতে পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৮২৫ রাউন্ড গুলি, ৫৫ রাউন্ড পিস্তলের গুলিসহ বিপুল পরিমাণে সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।(১৪ সেপ্টেম্বর) সোমবার ভোররাতে এই উপজেলায় বদরখালীর বিভিন্ন স্থানে পৃথক অভিযান চালায় এ সময় অস্ত্রসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হল -রাজিব ওরফে শুটার রাজিব (২৬), নমি উদ্দিন ওরফে নমি ডাকাত (৪০), জসিম উদ্দিন ওরফে জসু ডাকাত (২৬), মো. সাগর রানা ওরফে শুটার সাগর (২০), জহুরা বেগম (৪৫) ও শহর বানু (৫৫)। পুলিশ জানায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অস্ত্র তৈরি, কেনাবেচা, ভাড়া দেওয়া এবং সংঘবদ্ধ ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির নির্দেশনায় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ. এন. এম. সাজেদুর রহমানের তত্ত্বাবধানে এবং চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আবদুল আজিজ ও থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে দুর্বার বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।পুলিশ জানান রাতে মাতামুহুরীর উপজেলার লাল ব্রিজ এলাকায় অবস্থানকালে খবর আসে পশ্চিম ছনুয়া পাড়ার একটি বসতঘরে ডাকাতদল ডাকাতির প্রস্তুতির জন্য অবস্থান নেন। আগে হতে তারা জড়ো হতে থাকে। আরও পড়ুন ,নারী সহকর্মীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ টাঙ্গাইলের ‘সেতু’ এনজিওর দুই শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধেএদিকে দুর্গম এলাকা হওয়াতে বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটে গিয়ে সূত্র ধরে ঘটনাস্থলের বসতবাড়িটি ঘেরাও করে পুলিশ। এ পর্যায়ে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদলের কিছু সদস্যরা গাঢাকা দিতে সক্ষম হলেও পাঁচজনকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায় এসময় একটি দুইনালা রাইফেল, একটি একনালা রাইফেল, একটি শর্টগান, ৫৮ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ৫৫ রাউন্ড পিস্তলের গুলি, দুটি তাজা কার্তুজ, দুটি খোসা, একটি ক্লিনিং রড, অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম এবং ছয়টি মোবাইল ফোন অভিযানে উদ্ধার করা হয় । গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অস্ত্র তৈরি, কেনাবেচা, ভাড়া দেওয়া এবং সংঘবদ্ধ ডাকাতির সঙ্গে জড়িত।পরে আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফায় শহর বানুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বাড়ির পুকুর লোকিয়ে রাখা অবস্থায় একটি প্লাস্টিকের বস্তা থেকে উদ্ধার করা হয় আরও ৭৬৭ রাউন্ড রাইফেলের গুলিসহ মোট উদ্ধার করা হয় ৮২৫ রাউন্ড রাইফেলের গুলি। পুলিশ জানায় জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা অস্ত্র ও গুলি তৈরি, কেনাবেচা এবং ডাকাতদের কাছে অস্ত্র ভাড়া দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে সড়ক ডাকাতি, মাছের ঘোনায় ডাকাতি এবং চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে বলে সূত্র জানা গেছে।
টাঙ্গাইলের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ‘সেতু’-র পরিচালক (কার্যক্রম) জুলফিকার চৌধুরী এবং সহকারী পরিচালক (প্রশিক্ষণ) খন্দকার রাইসুল ইসলাম লালনের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, আপত্তিকর ও অশালীন আচরণ এবং যৌন হয়রানির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ওই প্রতিষ্ঠানেরই এক জ্যেষ্ঠ নারী কর্মী এদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মৌখিক অভিযোগ দায়ের করেছেন।সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সংস্থাটির কিছু কর্মকর্তা ক্ষমতার অপব্যবহার করে পদোন্নতি ও চাকরির বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন দেখিয়ে নারী কর্মীদের সাথে অনৈতিক আচরণ করে আসছেন। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের এক জ্যেষ্ঠ নারী কর্মকর্তা এদের অনৈতিক প্রস্তাব ও অশালীন ইঙ্গিতের তীব্র প্রতিবাদ জানালে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।আরও পড়ুন, রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে কালিয়াকৈরে অভিযান, উদ্ধার নকল সিগারেট ও তামাকঘটনা জানাজানি হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, "প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ যদি এ ধরনের নেক্কারজনক ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িয়ে পড়েন, তবে সমাজসেবামূলক এই সংস্থার ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়। আমরা কর্মরত সাধারণ কর্মচারীরাও সামাজিকভাবে লজ্জিত হচ্ছি।"তারা আরও জানান, এই ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া জরুরি। ঘটনার সত্যতা যাচাই করে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের অবিলম্বে পদ থেকে বহিষ্কার এবং আইনগত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় ভুক্তভোগী নারী মৌখিক অভিযোগ দিলে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।
সহজ ও দ্রুত খবরের আপডেট পেতে আমাদের অ্যাপটি ইন্সটল করুন।