শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না : হাবিবুর রশিদ
বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে শহীদ সহযোদ্ধাদের রক্তের ঋণ শোধ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন ঢাকা-৯ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেন, আমাদের সহযোদ্ধারা যে রক্ত দিয়েছেন, সেই ত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর খিলগাঁও জোরপুকুর পাড় মাঠে খিলগাঁও থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান জনির ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিলে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, শহীদ নুরুজ্জামান জনিসহ জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে নিহত সব সহযোদ্ধা বাংলাদেশের সূর্যসন্তান। তারা গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, জনির বাবা বলেছেন একটি গুলিই যথেষ্ট ছিল, অথচ নির্মমভাবে ১৬টি গুলি করে আমাদের সহযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে এতেই বোঝা যায় প্রশাসন দালালি করতে করতে নরপিশাচে পরিণত হয়েছিল।তিনি আরো বলেন, গত বছরগুলোতে হাজারো সহযোদ্ধাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, অনেককে গুম করা হয়েছে, যাদের এখনো খোঁজ মেলেনি। অনেক সহযোদ্ধা পঙ্গু হয়ে স্বাভাবিক জীবন হারিয়েছেন। এসব রক্তের ঋণের কাছে শুধু বিএনপি নয়, পুরো বাংলাদেশ দায়বদ্ধ। হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ থেকে বিচ্যুত না হয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তি সবসময় আন্দোলনের সম্মুখসারিতে ছিল এবং থাকবে। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, ভোটাধিকারভিত্তিক, নিরাপদ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলাই বিএনপির লক্ষ্য।আরও পড়ুন, ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের ঘোষণা তারেক রহমানেরতিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, শহীদ ও নির্যাতিত সহযোদ্ধাদের পরিবারকে আজীবন পাশে রাখা হবে। যেভাবে নিজের পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন করি, ঠিক সেভাবেই সহযোদ্ধাদের পরিবারগুলোর প্রতিও দায়িত্ব পালন করব।হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, ‘কারাবরণ, নির্যাতন ও নিপীড়নের মধ্য দিয়েও আমরা পিছিয়ে যাইনি। আগামীতেও যাব না। সহযোদ্ধাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক, মাদকমুক্ত ও চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করেই ছাড়ব।’এ সময় তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও সব শহীদ সহযোদ্ধার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করেন। এ সময় বিএনপি, ছাত্রদল যুবদলের স্থানীয় নেতাকর্মীরা ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।