আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) মশক নিয়ন্ত্রণে গঠিত কারিগরি কমিটির জরুরি সভা করেছে। সভায় ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান বলেন, মশক নিধনে ভিন্ন ভিন্ন কীটনাশকের সমন্বিত ব্যবহার পরীক্ষা করা হবে এবং ফলাফলের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাশাপাশি, জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষ ক্যাম্পেইন চালানোরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুন, কদমতলী ট্র্যাজেডি মূল অভিযুক্ত ইমান উল্লাহ রিমান্ডেকুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল ইসলাম সতর্ক করেছেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি বায়োলজিক্যাল কন্ট্রোল ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করে অন্তত পাঁচটি ভিন্ন স্থানে পরীক্ষা করে ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। কীটতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার জানিয়েছেন, নোভালিয়ন, ম্যালাথিয়ন ও টেমিফসের পরীক্ষা থেকে ম্যালাথিয়ন তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর ফল দিয়েছে। বিকল্প হিসেবে বিটিআই ব্যবহারের সম্ভাবনাও বিবেচনা করা যেতে পারে। তিনি ফগিংয়ের কার্যকারিতা সীমিত হওয়ায় ধীরে ধীরে তার ওপর নির্ভরতা কমানোর পরামর্শ দিয়েছেন।আরও পড়ুন, রাজধানীতে মোবাইল কোর্টে অনিয়ম ও চাঁদাবাজিজনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. বেনজির আহমেদ বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে সোর্স রিডাকশন বা প্রজননস্থল ধ্বংসকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, বিশেষজ্ঞ কমিটি ও বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি। ডিএনসিসি মশক নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তি ও কার্যকর কীটনাশক ব্যবহারের মাধ্যমে বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে সচেষ্ট থাকবে।