ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে নিজেদের প্রার্থীদের তালিকা জমা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। তবে তালিকা জমার পরই জোটের এক প্রার্থী বড় ধরনের আইনি জটিলতায় পড়েছেন।সূত্র বলছে, জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিন সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের তিন বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ কোনো সরকারি চাকরি থেকে অবসর বা পদত্যাগের পর কমপক্ষে তিন বছর পার না হলে কেউ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন না। এই বিধান সংরক্ষিত নারী আসনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।আরো পড়ুন , ‘ছাত্রদল সংশ্লিষ্টরা’ শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে: জামায়াতজানা গেছে, মনিরা শারমিন রাষ্ট্রায়ত্ত কৃষি ব্যাংকে কর্মরত ছিলেন এবং গত বছরের ডিসেম্বরে চাকরি থেকে পদত্যাগ করেন। ফলে আইন অনুযায়ী এখনও তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণের যোগ্য নন।এই পরিস্থিতিতে জোটের জন্য নির্ধারিত ১৩টি সংরক্ষিত নারী আসনের একটি বাতিল হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রার্থিতা বাতিল হলে আসনটি সবার জন্য উন্মুক্ত হয়ে যেতে পারে, যা জোটের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।এদিকে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।