দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সিনেমা দেখতে নয়, অভিজ্ঞতা ভাগ করতেই প্রেক্ষাগৃহে দর্শক-তারকা মিলন

ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলো এখন পরিণত হয়েছে ছোটখাটো উৎসবের মঞ্চে। নতুন সিনেমা দেখতে দর্শকের ভিড়ের পাশাপাশি বাড়ছে তারকা, নির্মাতা ও কলাকুশলীদের সরাসরি উপস্থিতি।আরও পড়ুন, ঈদে পরিবারের সঙ্গে জেমসের বিরল ছবি প্রকাশএবার ঈদে দেশের ১৮১টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে মোট ৮টি সিনেমা—‘রকস্টার’, ‘রইদ’, ‘মালিক’, ‘মাসুদ রানা’, ‘অফিসার’, ‘তছনছ’, ‘পিনিক’ এবং ‘বনলতা সেন’। মুক্তির পর থেকেই সিনেমাগুলোর টিম নিয়মিত প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দর্শকদের সঙ্গে দেখা করছেন এবং সরাসরি প্রতিক্রিয়া নিচ্ছেন। সবচেয়ে বেশি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া সিনেমা ‘রকস্টার’। শাকিব খান অভিনীত ছবিটি ১০৩টি হলে চলছে। রাজধানীর মাল্টিপ্লেক্সে প্রথম দিনে ১৮টি শো থাকলেও দর্শক চাহিদায় তা পরদিন বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬টিতে।আরও পড়ুন, বিবাহবিচ্ছেদের মামলার মধ্যেই মানহানির নোটিশ পেলেন সেলিনা জেটলিছবির পরিচালক আজমান রুশো এবং অভিনেত্রী সাবিলা নূর ও তানজিয়া জামান মিথিলা নিয়মিত বিভিন্ন হলে গিয়ে দর্শকদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন। পরিচালক জানান, প্রচলিত ফর্মুলার বাইরে গিয়ে নতুন ধরনের গল্প ও উপস্থাপনার চেষ্টা করা হয়েছে, তাই দর্শকের প্রতিক্রিয়া বুঝতে সময় লাগবে।আরও পড়ুন, এবার কসবায় ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর প্রদর্শনী বন্ধ করল প্রশাসনঅন্যদিকে ‘মালিক’ সিনেমাও ঈদের দর্শকদের মধ্যে আলাদা আগ্রহ তৈরি করেছে। সাইফ চন্দন পরিচালিত এই সিনেমা ৩২টি প্রেক্ষাগৃহে চলছে। এতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম। ছবিটি কয়েকটি হলে হাউসফুল শো পেয়েছে বলেও জানা গেছে। ঈদের আরেক আলোচিত সিনেমা ‘রইদ’। নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত এই সিনেমার টিমও নিয়মিত প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দর্শকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছে।অ্যাডভেঞ্চারধর্মী গল্প নিয়ে নির্মিত ‘মাসুদ রানা’ও ঈদের প্রতিযোগিতায় রয়েছে। সৈকত নাসির পরিচালিত সিনেমাটি চারটি মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পেয়েছে এবং কয়েকটি শো হাউসফুল হয়েছে। এদিকে মাল্টিপ্লেক্স দর্শকদের কাছে সাড়া ফেলেছে ‘বনলতা সেন’। মাসুদ হাসান উজ্জ্বল পরিচালিত এই সিনেমা আটটি মাল্টিপ্লেক্সে প্রদর্শিত হচ্ছে এবং প্রতিদিন একাধিক শো পূর্ণ দর্শক নিয়ে চলছে।আরও পড়ুন, শাকিব চান নায়ক, অপু চান ডাক্তার হোক জয় চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবারের ঈদে সিনেমার প্রচারণার ধরনে বড় পরিবর্তন এসেছে। শিল্পী ও নির্মাতারা এখন শুধু প্রচারেই সীমাবদ্ধ নন, বরং সরাসরি প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দর্শকের সঙ্গে কথা বলছেন, ছবি তুলছেন এবং প্রতিক্রিয়া শুনছেন। এতে দর্শক ও সিনেমার দূরত্ব কমে এসেছে এবং সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতা আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠছে।

সিনেমা দেখতে নয়, অভিজ্ঞতা ভাগ করতেই প্রেক্ষাগৃহে দর্শক-তারকা মিলন