ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে দেখা গেছে উপচে পড়া মানুষের ভিড়। পরিবার-পরিজন ও বন্ধুদের সঙ্গে ঈদের ছুটি উপভোগ করতে সকাল থেকেই নগর ও আশপাশের বিনোদন স্পটগুলোতে ছুটে আসেন হাজারো মানুষ।শুক্রবার সকাল থেকেই পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, ফয়’স লেক, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, পারকি সৈকত, গুলিয়াখালী সী বিচ এবং ভাটিয়ারি সানসেট পয়েন্টে ছিল দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি। পুরো এলাকাজুড়ে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত। কেউ ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে আনন্দ উপভোগ করছে, কেউ আবার সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছে। অন্যদিকে ফয়’স লেকে নৌকাভ্রমণ ও বিভিন্ন রাইডে ছিল দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সারি।আরও পড়ুন, ঈদকে টার্গেট করে জালনোট ছড়ানোর পরিকল্পনা, কুমিল্লায় গ্রেপ্তার ২শুধু নগর নয়, আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকেও অনেকে ঈদের ছুটিতে এসব পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় করেন। পারকি সমুদ্রসৈকত ও সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সী বিচেও ছিল পর্যটকদের সরব উপস্থিতি। বিকেলের দিকে ভাটিয়ারি সানসেট পয়েন্টে সূর্যাস্ত উপভোগ করতে জড়ো হন অসংখ্য তরুণ-তরুণী।আরও পড়ুন, কাঁচা চামড়া নয়, চামড়ার পণ্য রপ্তানি আমাদের উদ্দেশ্য : বাণিজ্যমন্ত্রীপর্যটনকেন্দ্রগুলোতে আসা দর্শনার্থীরা জানান, ঈদের ছুটিতে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পেরে তারা আনন্দিত। দীর্ঘদিন পর এমন একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ তাদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা। বাড়তি ভিড় সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে। বিভিন্ন স্পটে টহল জোরদার করা হয় এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।আরও পড়ুন, মোংলায় খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে ৯ গরু কোরবানিট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পর্যটকদের নির্বিঘ্নে ঘোরাফেরার জন্য সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হচ্ছে। ঈদের আনন্দ আর প্রকৃতির সৌন্দর্য মিলিয়ে চট্টগ্রামের পর্যটনকেন্দ্রগুলো পরিণত হয়েছে উৎসবের মিলনমেলায়।