বাবা শিবনারায়ন চন্দরপলের ব্যাটিংয়ের কথা ক্রিকেটপ্রেমীদের নিশ্চয়ই মনে আছে। ক্রিজে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় উইকেট আগলে রাখা, অদ্ভুত ব্যাটিং স্টান্স এবং প্রতিপক্ষ বোলারদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া ছিল তাঁর ব্যাটিংয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এবার বাবার সেই ব্যাটিং-ঐতিহ্যের ছাপ দেখা গেল ছেলে তেজনারায়ন চন্দরপলের খেলায়। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে ১৮৪ বল মোকাবিলা করে ৫৬ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের করা ২৭৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুটা করেছিল আক্রমণাত্মকভাবে। ওভারপ্রতি প্রায় ছয় রান করে তুলছিল ক্যারিবীয়রা। তবে ৪.৫ ওভারে ২৯ রান ওঠার পর ১৫ রান করে আউট হন ওপেনার ব্রেন্ডন কিং।এরপর উইকেটে এসে ধৈর্যের পরিচয় দেন তেজনারায়ন। একের পর এক বল ঠেকিয়ে, প্রয়োজনমতো ছেড়ে দিয়ে এবং বাজে বল পেলে শাস্তি দিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন তিনি। শুরু থেকেই উইকেটে টার্ন পাচ্ছিলেন বাংলাদেশের স্পিনাররা। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত রান তোলার চেয়ে উইকেটে টিকে থাকার কৌশলই বেছে নেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
আরও পড়ুন,কেইন বেঞ্চে, বায়ার্নের বড় জয়
তেজনারায়নের ব্যাটিংয়ে বাবার ছায়া স্পষ্ট। তাঁর ব্যাটিং স্টান্স ও বল মোকাবিলার ধরনে শিবনারায়ন চন্দরপলের বৈশিষ্ট্য খুঁজে পেয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। ভালো বলেও সহজে উইকেট না দেওয়া এবং বোলারদের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়ার ক্ষেত্রে বাবার মতোই দৃঢ় ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে শিবনারায়ন চন্দরপলের অতীত রেকর্ডও ছিল দুর্দান্ত। তাঁর ক্যারিয়ার গড় যেখানে ৫১.৩৭, সেখানে বাংলাদেশের বিপক্ষে তা ছিল ১৪৯.৫। ১৪ ইনিংসে চারটি সেঞ্চুরির পাশাপাশি করেছিলেন তিনটি অর্ধশতক। বাংলাদেশের মাটিতেই খেলেছিলেন ক্যারিয়ারসেরা ২০৩ রানের ইনিংস। ছেলের ইনিংসেও সেই পুরোনো স্মৃতি ফিরে এসেছে বাংলাদেশের বোলারদের জন্য। শেষ পর্যন্ত শরীফুল ইসলামের বলে আউট হন তেজনারায়ন। তবে তার আগে ১৮৪ বল খেলে ৫৬ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গুরুত্বপূর্ণ ভিত গড়ে দেন। সিরিজের এখনো তিনটি ইনিংসে ব্যাট করার সুযোগ পেতে পারেন তেজনারায়ন। বাবার দেখানো পথে হাঁটতে পারলে বাংলাদেশের বোলারদের জন্য সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ অক্টোবর ২০২৬
বাবা শিবনারায়ন চন্দরপলের ব্যাটিংয়ের কথা ক্রিকেটপ্রেমীদের নিশ্চয়ই মনে আছে। ক্রিজে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় উইকেট আগলে রাখা, অদ্ভুত ব্যাটিং স্টান্স এবং প্রতিপক্ষ বোলারদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া ছিল তাঁর ব্যাটিংয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এবার বাবার সেই ব্যাটিং-ঐতিহ্যের ছাপ দেখা গেল ছেলে তেজনারায়ন চন্দরপলের খেলায়। বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে ১৮৪ বল মোকাবিলা করে ৫৬ রানের ইনিংস খেলেছেন তিনি। বাংলাদেশের করা ২৭৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুটা করেছিল আক্রমণাত্মকভাবে। ওভারপ্রতি প্রায় ছয় রান করে তুলছিল ক্যারিবীয়রা। তবে ৪.৫ ওভারে ২৯ রান ওঠার পর ১৫ রান করে আউট হন ওপেনার ব্রেন্ডন কিং।এরপর উইকেটে এসে ধৈর্যের পরিচয় দেন তেজনারায়ন। একের পর এক বল ঠেকিয়ে, প্রয়োজনমতো ছেড়ে দিয়ে এবং বাজে বল পেলে শাস্তি দিয়ে ইনিংস এগিয়ে নেন তিনি। শুরু থেকেই উইকেটে টার্ন পাচ্ছিলেন বাংলাদেশের স্পিনাররা। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত রান তোলার চেয়ে উইকেটে টিকে থাকার কৌশলই বেছে নেন এই বাঁহাতি ব্যাটার।
আরও পড়ুন,কেইন বেঞ্চে, বায়ার্নের বড় জয়
তেজনারায়নের ব্যাটিংয়ে বাবার ছায়া স্পষ্ট। তাঁর ব্যাটিং স্টান্স ও বল মোকাবিলার ধরনে শিবনারায়ন চন্দরপলের বৈশিষ্ট্য খুঁজে পেয়েছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। ভালো বলেও সহজে উইকেট না দেওয়া এবং বোলারদের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়ার ক্ষেত্রে বাবার মতোই দৃঢ় ছিলেন তিনি। বাংলাদেশের বিপক্ষে শিবনারায়ন চন্দরপলের অতীত রেকর্ডও ছিল দুর্দান্ত। তাঁর ক্যারিয়ার গড় যেখানে ৫১.৩৭, সেখানে বাংলাদেশের বিপক্ষে তা ছিল ১৪৯.৫। ১৪ ইনিংসে চারটি সেঞ্চুরির পাশাপাশি করেছিলেন তিনটি অর্ধশতক। বাংলাদেশের মাটিতেই খেলেছিলেন ক্যারিয়ারসেরা ২০৩ রানের ইনিংস। ছেলের ইনিংসেও সেই পুরোনো স্মৃতি ফিরে এসেছে বাংলাদেশের বোলারদের জন্য। শেষ পর্যন্ত শরীফুল ইসলামের বলে আউট হন তেজনারায়ন। তবে তার আগে ১৮৪ বল খেলে ৫৬ রান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে গুরুত্বপূর্ণ ভিত গড়ে দেন। সিরিজের এখনো তিনটি ইনিংসে ব্যাট করার সুযোগ পেতে পারেন তেজনারায়ন। বাবার দেখানো পথে হাঁটতে পারলে বাংলাদেশের বোলারদের জন্য সামনে আরও কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে।

আপনার মতামত লিখুন