ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখছে না নির্বাচন কমিশন। জাতীয় নির্বাচনের মতোই এই উপনির্বাচনকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে উপনির্বাচনের কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল পরিদর্শন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সিইসি জানান, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পুরো নির্বাচনী কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছতায় বিশ্বাসী এবং ১১-দলীয় জোটের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সমাধান করা হয়েছে।
আরও পড়ুন,এক বছরের জন্য শ্রমিক অধিকার পরিষদের আংশিক কমিটি
নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, প্রশাসন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনী ও সংস্থাকে দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য শুধু একটি নির্বাচন আয়োজন করা নয়; বরং দেশে ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা। নির্বাচনের পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সিইসি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ লোক মোতায়েন করতে হয়, যা অনেক দেশের জন্য অকল্পনীয়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা জরুরি। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ভোটযুদ্ধকে ভোট উৎসবে পরিণত করতে চায়। দেশে এমন একটি নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়ে তোলাই কমিশনের লক্ষ্য, যেখানে ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে কোনোভাবেই ছোট করে দেখছে না নির্বাচন কমিশন। জাতীয় নির্বাচনের মতোই এই উপনির্বাচনকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে উপনির্বাচনের কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল পরিদর্শন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সিইসি জানান, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পুরো নির্বাচনী কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছতায় বিশ্বাসী এবং ১১-দলীয় জোটের পক্ষ থেকে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সমাধান করা হয়েছে।
আরও পড়ুন,এক বছরের জন্য শ্রমিক অধিকার পরিষদের আংশিক কমিটি
নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, প্রশাসন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবিসহ সংশ্লিষ্ট সব বাহিনী ও সংস্থাকে দায়িত্বে নিয়োজিত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য শুধু একটি নির্বাচন আয়োজন করা নয়; বরং দেশে ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তোলা। নির্বাচনের পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সিইসি আরও বলেন, জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ লোক মোতায়েন করতে হয়, যা অনেক দেশের জন্য অকল্পনীয়। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা জরুরি। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন ভোটযুদ্ধকে ভোট উৎসবে পরিণত করতে চায়। দেশে এমন একটি নির্বাচনী সংস্কৃতি গড়ে তোলাই কমিশনের লক্ষ্য, যেখানে ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন