সৌদি আরবকে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা থেকে রক্ষা করা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশটির সামরিক বাহিনীকে সহায়তার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে মিসরের সংসদ। মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি গত সপ্তাহে সৌদি আরব ও সুয়েজ খালের প্রবেশপথ রক্ষায় সংসদের কাছে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, সংসদীয় অনুমোদনের ফলে ইয়েমেন সংঘাতে মিসরের সরাসরি জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা জোরালো হলো। আরব বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও বৃহৎ সামরিক বাহিনীর দেশ মিসর ২০১৫ সাল থেকেই ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এতদিন মূলত নৌসীমা পাহারা ও সামান্য সংখ্যক স্থলসেনা মোতায়েনের মধ্যেই তাদের ভূমিকা সীমাবদ্ধ ছিল,
আরও পড়ুন,ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে শর্ত চাপানোর অভিযোগ
সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ ছিল খুবই সীমিত। ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের পর মিসর বিদেশে বড় আকারের স্থলসেনা মোতায়েন করা থেকে বিরত থেকেছে। ফলে মিসরীয় সংসদের নতুন এই অনুমোদন দেশটির দীর্ঘদিনের কৌশলগত সামরিক অবস্থানের এক বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালী রক্ষা করা কায়রোর নিজস্ব অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত, কারণ আন্তর্জাতিক এই জলপথের ওপরই সুয়েজ খালের ট্রাফিক ও রাজস্ব আয় নির্ভর করে। হুথিদের ক্রমাগত আগ্রাসন ও সৌদি সীমান্তে সম্ভাব্য হুমকির মুখে কায়রোর এই সামরিক পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি ও নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকরা।
বিষয় : অনুমোদন

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবকে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলা থেকে রক্ষা করা এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশটির সামরিক বাহিনীকে সহায়তার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে মিসরের সংসদ। মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি গত সপ্তাহে সৌদি আরব ও সুয়েজ খালের প্রবেশপথ রক্ষায় সংসদের কাছে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানা যায়, সংসদীয় অনুমোদনের ফলে ইয়েমেন সংঘাতে মিসরের সরাসরি জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা জোরালো হলো। আরব বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী ও বৃহৎ সামরিক বাহিনীর দেশ মিসর ২০১৫ সাল থেকেই ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটে অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এতদিন মূলত নৌসীমা পাহারা ও সামান্য সংখ্যক স্থলসেনা মোতায়েনের মধ্যেই তাদের ভূমিকা সীমাবদ্ধ ছিল,
আরও পড়ুন,ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে শর্ত চাপানোর অভিযোগ
সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ ছিল খুবই সীমিত। ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের পর মিসর বিদেশে বড় আকারের স্থলসেনা মোতায়েন করা থেকে বিরত থেকেছে। ফলে মিসরীয় সংসদের নতুন এই অনুমোদন দেশটির দীর্ঘদিনের কৌশলগত সামরিক অবস্থানের এক বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা এবং লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালী রক্ষা করা কায়রোর নিজস্ব অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত, কারণ আন্তর্জাতিক এই জলপথের ওপরই সুয়েজ খালের ট্রাফিক ও রাজস্ব আয় নির্ভর করে। হুথিদের ক্রমাগত আগ্রাসন ও সৌদি সীমান্তে সম্ভাব্য হুমকির মুখে কায়রোর এই সামরিক পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতি ও নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করছেন আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন