রাজধানীর বাজারে শীতকালীন আগাম সবজির সরবরাহ বাড়ায় সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও চাল, আটা, ময়দা, ডাল ও মসলার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় মৌলিক পণ্যগুলো এখনো বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। শান্তিনগর, নিউমার্কেট ও নতুনবাজার ঘুরে জানা গেছে, পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ধুন্দল কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৭০ টাকা এবং ঝিঙা, বেগুন ও করলা ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিমের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ২০ টাকা কমে এখন ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় নেমেছে এবং ফুলকপি পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। তবে টমেটো এখনো ১৭০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে চাল ও আটা-ময়দার বাজার রয়েছে আগের মতোই উত্তপ্ত। নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকায় এবং পাইজাম ও ব্রি-২৮ বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬৫ টাকায়।
আরোও পড়ুন,২০৩০ সালের মধ্যে একক ভ্যাট বাস্তবায়ন
খোলা ও প্যাকেটজাত আটা-ময়দার দাম টিসিবির তথ্য অনুযায়ী গত এক মাসে ২ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া ছোলার দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে এখন ১১০ থেকে ১২৫ টাকায় ঠেকেছে। ছোটদানা মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে।
গত এক মাসে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে আদার। টিসিবির হিসাবে আমদানি করা আদার দাম প্রায় ৩৭.৯৩ শতাংশ বেড়ে বর্তমানে ১৭০ থেকে ২৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। দেশে আদার বার্ষিক চাহিদা ৩.৭৫ লাখ টন হলেও নিজস্ব উৎপাদন ২.৫৫ লাখ টন হওয়ায় বড় অঙ্কের ঘাটতি মেটাতে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে মুরগি ও ডিমের বাজারে সামান্য দাম কমেছে; ব্রয়লার মুরগি ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা কেজি এবং ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর বাজারে শীতকালীন আগাম সবজির সরবরাহ বাড়ায় সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি মিললেও চাল, আটা, ময়দা, ডাল ও মসলার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় মৌলিক পণ্যগুলো এখনো বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। শান্তিনগর, নিউমার্কেট ও নতুনবাজার ঘুরে জানা গেছে, পটোল, ঢ্যাঁড়শ, ধুন্দল কেজিপ্রতি ৫০ থেকে ৭০ টাকা এবং ঝিঙা, বেগুন ও করলা ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিমের দাম কেজিপ্রতি প্রায় ২০ টাকা কমে এখন ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় নেমেছে এবং ফুলকপি পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। তবে টমেটো এখনো ১৭০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে চাল ও আটা-ময়দার বাজার রয়েছে আগের মতোই উত্তপ্ত। নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৯০ টাকায় এবং পাইজাম ও ব্রি-২৮ বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬৫ টাকায়।
আরোও পড়ুন,২০৩০ সালের মধ্যে একক ভ্যাট বাস্তবায়ন
খোলা ও প্যাকেটজাত আটা-ময়দার দাম টিসিবির তথ্য অনুযায়ী গত এক মাসে ২ থেকে ৮ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া ছোলার দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে এখন ১১০ থেকে ১২৫ টাকায় ঠেকেছে। ছোটদানা মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে।
গত এক মাসে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে আদার। টিসিবির হিসাবে আমদানি করা আদার দাম প্রায় ৩৭.৯৩ শতাংশ বেড়ে বর্তমানে ১৭০ থেকে ২৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। দেশে আদার বার্ষিক চাহিদা ৩.৭৫ লাখ টন হলেও নিজস্ব উৎপাদন ২.৫৫ লাখ টন হওয়ায় বড় অঙ্কের ঘাটতি মেটাতে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয়। তবে মুরগি ও ডিমের বাজারে সামান্য দাম কমেছে; ব্রয়লার মুরগি ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা কেজি এবং ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন