যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর দিবাগত রাতে মাদারীপুরের রাজৈর থানার বদরপাশা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার ২১ অক্টোবর সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিআইডি জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে সোহাগ ফকিরের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর তাকে গ্রেফতারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আরও পড়ুন,ভোটের মর্যাদা রক্ষায় বিএনপিকে সতর্ক করলেন তারেক রহমান
এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোনসহ বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে। এর আগে গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়। এ ঘটনায় গত ১১ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে সোহাগ ফকিরের অবস্থান শনাক্ত করে সিআইডি। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার সোহাগ ফকিরকে আদালতে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আর কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় সোহাগ ফকিরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তাধীন। আদালতে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইন অনুযায়ী নির্দোষ বলে বিবেচিত হবেন।
বিষয় : অভিযান সিআইডি প্রশ্নফাঁস

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ অক্টোবর ২০২৬
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক সোহাগ ফকিরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি। মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর দিবাগত রাতে মাদারীপুরের রাজৈর থানার বদরপাশা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার ২১ অক্টোবর সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সিআইডি জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্তে সোহাগ ফকিরের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার পর তাকে গ্রেফতারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।
আরও পড়ুন,ভোটের মর্যাদা রক্ষায় বিএনপিকে সতর্ক করলেন তারেক রহমান
এ সময় তার কাছ থেকে দুটি স্মার্টফোনসহ বেশ কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে। এর আগে গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষাটি স্থগিত করা হয়। এ ঘটনায় গত ১১ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তের ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে সোহাগ ফকিরের অবস্থান শনাক্ত করে সিআইডি। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার সোহাগ ফকিরকে আদালতে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আর কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তবে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় সোহাগ ফকিরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তাধীন। আদালতে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইন অনুযায়ী নির্দোষ বলে বিবেচিত হবেন।

আপনার মতামত লিখুন