রাজধানীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানমের দপ্তরে ইউপি সচিবদের বদলি-পদায়ন নিয়ে গুরুতর অনিয়ম ও কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। একই পদে থাকা কর্মচারীদের পছন্দের কর্মস্থলে পাঠাতে নীতিমালা লঙ্ঘন ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে এখন তোলপাড় চলছে জেলা প্রশাসনজুড়ে।ভুক্তভোগী একাধিক ইউপি সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে,পছন্দের জায়গায় যেতে হলে সিন্ডিকেটকে ম্যানেজ করতে হয়। টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না।" তাদের দাবি, এই লেনদেনের পরিমাণ কয়েক লাখ থেকে কোটি টাকা পর্যন্ত।তবে এই অভিযোগের পক্ষে এখনো কোনো ব্যাংক রসিদ বা অডিও-ভিডিও প্রমাণ প্রকাশ্যে না এলেও বদলির অস্বাভাবিক গতিপথ প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
আরও পড়ুন, ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক
৩টি অস্বাভাবিক ঘটনা
১. একই ব্যক্তি ৬ মাসে ৩ বার পছন্দের ইউনিয়নে বদলি হয়েছেন, যার কোনো যৌক্তিক কারণ ফাইলে নেই।
২. বদলির আবেদন ছাড়াই কয়েকজনের বদলির আদেশ হয়েছে, যা সার্ভিস রুলের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
৩. বদলি ফাইলে সুপারিশের জায়গায় প্রভাবশালী ‘ছোট ভাই’ বলয়ের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ।
চট্টগ্রামের ছায়া ঢাকায় এর আগে চট্টগ্রামে ডিসি থাকাকালীন সময়েও খাসজমি, বালুমহাল ও চিড়িয়াখানার অর্থ ব্যয় নিয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশিত হয়। সেই সব অভিযোগের তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট আজও আলোর মুখ দেখেনি। একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বারবার একই ধরনের অভিযোগ ওঠা প্রশাসনের জন্য অশনিসংকেত।
মানবতার ফেরিওয়ালা’ তকমার আড়ালে কী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানবিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রচারণা থাকলেও বদলি-পদায়নের মতো স্পর্শকাতর প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা কোথায়? প্রশ্ন তুলছেন খোদ প্রশাসনের কর্মকর্তারাই। মানবিক কাজ দিয়ে কি প্রশাসনিক অনিয়ম ঢাকা যাবে?
*আমাদের ৬ দফা তদন্ত দাবি*
১. গত ১ বছরে সব ইউপি সচিবের বদলির ফাইল জব্দ ও ফরেনসিক যাচাই।
২. আবেদন ছাড়া বদলি হলে তার নেপথ্যে কে?
৩. ‘ছোট ভাই’ সিন্ডিকেটে কারা, তাদের কললিস্ট ও আর্থিক লেনদেন যাচাই।
৪. ফরিদা খানমের সময়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকার সব বদলির তুলনামূলক চিত্র।
৫. দুদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যৌথ তদন্ত।
৬. তদন্ত চলাকালে সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া।
এ বিষয়ে ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার দপ্তর থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পেলে তা গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হবে। উক্ত ঘটনার সুস্থ তদন্ত দাবি করেছেন এলাকার জনগণ এবং সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
বিষয় : বদলি-পদায়ন ডিসি অফিস

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানমের দপ্তরে ইউপি সচিবদের বদলি-পদায়ন নিয়ে গুরুতর অনিয়ম ও কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। একই পদে থাকা কর্মচারীদের পছন্দের কর্মস্থলে পাঠাতে নীতিমালা লঙ্ঘন ও আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে এখন তোলপাড় চলছে জেলা প্রশাসনজুড়ে।ভুক্তভোগী একাধিক ইউপি সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে,পছন্দের জায়গায় যেতে হলে সিন্ডিকেটকে ম্যানেজ করতে হয়। টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না।" তাদের দাবি, এই লেনদেনের পরিমাণ কয়েক লাখ থেকে কোটি টাকা পর্যন্ত।তবে এই অভিযোগের পক্ষে এখনো কোনো ব্যাংক রসিদ বা অডিও-ভিডিও প্রমাণ প্রকাশ্যে না এলেও বদলির অস্বাভাবিক গতিপথ প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
আরও পড়ুন, ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠক
৩টি অস্বাভাবিক ঘটনা
১. একই ব্যক্তি ৬ মাসে ৩ বার পছন্দের ইউনিয়নে বদলি হয়েছেন, যার কোনো যৌক্তিক কারণ ফাইলে নেই।
২. বদলির আবেদন ছাড়াই কয়েকজনের বদলির আদেশ হয়েছে, যা সার্ভিস রুলের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
৩. বদলি ফাইলে সুপারিশের জায়গায় প্রভাবশালী ‘ছোট ভাই’ বলয়ের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ।
চট্টগ্রামের ছায়া ঢাকায় এর আগে চট্টগ্রামে ডিসি থাকাকালীন সময়েও খাসজমি, বালুমহাল ও চিড়িয়াখানার অর্থ ব্যয় নিয়ে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে গুরুতর অভিযোগ প্রকাশিত হয়। সেই সব অভিযোগের তদন্তের চূড়ান্ত রিপোর্ট আজও আলোর মুখ দেখেনি। একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বারবার একই ধরনের অভিযোগ ওঠা প্রশাসনের জন্য অশনিসংকেত।
মানবতার ফেরিওয়ালা’ তকমার আড়ালে কী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানবিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রচারণা থাকলেও বদলি-পদায়নের মতো স্পর্শকাতর প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা কোথায়? প্রশ্ন তুলছেন খোদ প্রশাসনের কর্মকর্তারাই। মানবিক কাজ দিয়ে কি প্রশাসনিক অনিয়ম ঢাকা যাবে?
*আমাদের ৬ দফা তদন্ত দাবি*
১. গত ১ বছরে সব ইউপি সচিবের বদলির ফাইল জব্দ ও ফরেনসিক যাচাই।
২. আবেদন ছাড়া বদলি হলে তার নেপথ্যে কে?
৩. ‘ছোট ভাই’ সিন্ডিকেটে কারা, তাদের কললিস্ট ও আর্থিক লেনদেন যাচাই।
৪. ফরিদা খানমের সময়ে চট্টগ্রাম ও ঢাকার সব বদলির তুলনামূলক চিত্র।
৫. দুদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যৌথ তদন্ত।
৬. তদন্ত চলাকালে সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তাদের অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া।
এ বিষয়ে ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার দপ্তর থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার বক্তব্য পেলে তা গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হবে। উক্ত ঘটনার সুস্থ তদন্ত দাবি করেছেন এলাকার জনগণ এবং সুশীল সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আপনার মতামত লিখুন