জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চলতি অক্টোবর মাসের শেষ দিকে চার দিনের সফরে টোকিও যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে গণমাধ্যমকে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার প্রেস সচিব সালেহ শিবলি।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, মেট্রোরেল প্রকল্প, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক সহযোগিতার বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।
আরও পড়ুন, এক বছরে নতুন করে দরিদ্র ২১ লাখ মানুষ
এ সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই সাক্ষাতের সময় তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য টোকিও সফরকে দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সফরে বিভিন্ন সমঝোতা ও সহযোগিতার বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে বলেও সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে।
বিষয় : প্রধানমন্ত্রী জাপান সফর

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চলতি অক্টোবর মাসের শেষ দিকে চার দিনের সফরে টোকিও যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে গণমাধ্যমকে প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার প্রেস সচিব সালেহ শিবলি।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সফরকালে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, মেট্রোরেল প্রকল্প, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক সহযোগিতার বিষয় গুরুত্ব পেতে পারে।
আরও পড়ুন, এক বছরে নতুন করে দরিদ্র ২১ লাখ মানুষ
এ সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই সাক্ষাতের সময় তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য টোকিও সফরকে দুই দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সফরে বিভিন্ন সমঝোতা ও সহযোগিতার বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে বলেও সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে।

আপনার মতামত লিখুন