শিক্ষকতা পেশাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ১০২ জন গুণী শিক্ষকের হাতে দুই লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। কর্মজীবন কিংবা অবসরযে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, মহান এই পেশার কারণে একজন শিক্ষক আমৃত্যু রাষ্ট্রের কাছে সম্মানীয়।শিক্ষকদের বেতন ও অবসরভাতা পেতে যাতে অফিসে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
আরও পড়ুন, পিচ্চি রাজার পলায়ন রহস্য উদঘাটন টাকার বিনিময়ে পুলিশ সদস্যদের সহায়তার তথ্য
যথানিয়মে ও যথাসময়ে শিক্ষকদের প্রাপ্য অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।তিনি শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা সমুন্নত রাখা, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষার প্রসার, শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং শহর-গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষাকে আনন্দময় করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বিকাশে গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির ওপরও জোর দেন তিনি।বক্তব্যের শেষে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিক্ষক সমাজের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।
বিষয় : শিক্ষকদের আর্থিক সামাজিক মর্যাদা

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষকতা পেশাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের ‘গুণী শিক্ষক সম্মাননা’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যায় পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ১০২ জন গুণী শিক্ষকের হাতে দুই লাখ টাকা, ক্রেস্ট ও সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকরা জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। কর্মজীবন কিংবা অবসরযে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, মহান এই পেশার কারণে একজন শিক্ষক আমৃত্যু রাষ্ট্রের কাছে সম্মানীয়।শিক্ষকদের বেতন ও অবসরভাতা পেতে যাতে অফিসে গিয়ে ভোগান্তির শিকার হতে না হয়, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
আরও পড়ুন, পিচ্চি রাজার পলায়ন রহস্য উদঘাটন টাকার বিনিময়ে পুলিশ সদস্যদের সহায়তার তথ্য
যথানিয়মে ও যথাসময়ে শিক্ষকদের প্রাপ্য অর্থ ব্যাংকের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।তিনি শিক্ষকদের পেশাগত মর্যাদা সমুন্নত রাখা, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিক মূল্যবোধের সমন্বয়ে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন।এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষার প্রসার, শিক্ষকদের আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং শহর-গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষাকে আনন্দময় করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বিকাশে গুরুত্ব দিতে হবে। শিক্ষা থেকে ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির ওপরও জোর দেন তিনি।বক্তব্যের শেষে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব শিক্ষক সমাজের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

আপনার মতামত লিখুন