নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭১ জনকে আটক করেছে পুলিশ। জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত ২৫টি অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। পরে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১১ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।সোমবার বিকেলে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানীগঞ্জ থানায় আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, কালকিনিতে এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোস্তাফিজুর রহমান রুপম
এ ছাড়া চারজনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় এবং একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।সোনাইমুড়ী থানায় ২২ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনজনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় এবং তিনজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।অন্যদিকে, সুধারাম মডেল থানা ও হাতিয়া থানায় ২৯ জন করে, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ২০ জন, সেনবাগ থানায় ২১ জন, চাটখিল থানায় আটজন, চরজব্বর থানায় ১০ জন এবং কবিরহাট থানায় ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার জানান, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা রোধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের জন্য সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে জনসচেতনতামূলক এবং সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
বিষয় : পুলিশ কিশোর গ্যাং সাঁড়াশি অভিযান

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭১ জনকে আটক করেছে পুলিশ। জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় পরিচালিত ২৫টি অভিযানে তাঁদের আটক করা হয়। পরে আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৬০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি ১১ জনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।সোমবার বিকেলে নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আহমেদ পেয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান।পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কোম্পানীগঞ্জ থানায় আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১০ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, কালকিনিতে এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোস্তাফিজুর রহমান রুপম
এ ছাড়া চারজনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় এবং একজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।সোনাইমুড়ী থানায় ২২ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনজনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় এবং তিনজনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।অন্যদিকে, সুধারাম মডেল থানা ও হাতিয়া থানায় ২৯ জন করে, বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ২০ জন, সেনবাগ থানায় ২১ জন, চাটখিল থানায় আটজন, চরজব্বর থানায় ১০ জন এবং কবিরহাট থানায় ১১ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমেদ পেয়ার জানান, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা রোধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের জন্য সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে জনসচেতনতামূলক এবং সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন