নীলফামারীর সৈয়দপুর সেনানিবাসে ইএমই সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (ইএমইসিএন্ডএস) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স (ইএমই) কোরের বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৬ এবং ৬ষ্ঠ কোর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি।বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে ইএমই কোরের বিভিন্ন ইউনিটের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন সেনাপ্রধান। এ সময় তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ইএমই কোরের বীর সেনানীসহ সব বীর মুক্তিযোদ্ধাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।সেনাপ্রধান ইএমই কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং যুদ্ধ ও শান্তিকালীন সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অস্ত্র, যানবাহন ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতির মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে এ কোরের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন, প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন
এ ছাড়া ইএমই কোরের কার্যক্রম, উন্নয়ন ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কোরের সদস্যদের সবসময় প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশনা দেন সেনাবাহিনী প্রধান।অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ইএমই সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের প্যারেড গ্রাউন্ডে ৬ষ্ঠ কোর পুনর্মিলনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে সেনাপ্রধান কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন এবং ইএমই কোরের প্রাক্তন ও বর্তমান সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।এ সময় তিনি কোরের সদস্যদের মধ্যে ঐক্য, সৌহার্দ্য ও পেশাগত মমত্ববোধ আরও জোরদারে এ ধরনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও দেশ ও জাতির সেবায় নিবেদিত থাকার জন্য ইএমই কোরের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নীলফামারীর সৈয়দপুর সেনানিবাসে ইএমই সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (ইএমইসিএন্ডএস) ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স (ইএমই) কোরের বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন-২০২৬ এবং ৬ষ্ঠ কোর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি।বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলনে ইএমই কোরের বিভিন্ন ইউনিটের অধিনায়ক ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন সেনাপ্রধান। এ সময় তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ইএমই কোরের বীর সেনানীসহ সব বীর মুক্তিযোদ্ধাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।সেনাপ্রধান ইএমই কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং যুদ্ধ ও শান্তিকালীন সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অস্ত্র, যানবাহন ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতির মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে এ কোরের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরেন।
আরও পড়ুন, প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর নিয়ে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন
এ ছাড়া ইএমই কোরের কার্যক্রম, উন্নয়ন ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপস্থিত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কোরের সদস্যদের সবসময় প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশনা দেন সেনাবাহিনী প্রধান।অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ইএমই সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের প্যারেড গ্রাউন্ডে ৬ষ্ঠ কোর পুনর্মিলনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে সেনাপ্রধান কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন এবং ইএমই কোরের প্রাক্তন ও বর্তমান সদস্যদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।এ সময় তিনি কোরের সদস্যদের মধ্যে ঐক্য, সৌহার্দ্য ও পেশাগত মমত্ববোধ আরও জোরদারে এ ধরনের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও দেশ ও জাতির সেবায় নিবেদিত থাকার জন্য ইএমই কোরের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান

আপনার মতামত লিখুন