জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে অবস্থানকালে বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এসব বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট। জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন তারেক রহমান।
এ ছাড়া জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।
আড়ও পড়ুন,আজ রাতে বাংলায় জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
নিউইয়র্কে তুর্কি হাউসে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তারেক রহমান। সেখানে বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি অর্থনীতি বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে মতবিনিময় করে।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিস-আইমের সঙ্গেও বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। আলোচনায় উঠে আসে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়।
প্রধানমন্ত্রীর এসব বৈঠকের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে।
সব মিলিয়ে জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে ধারাবাহিক কূটনৈতিক তৎপরতায় বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।
বিষয় : জাতিসংঘ প্রধানমন্ত্রী

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে অবস্থানকালে বিশ্বনেতা ও আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরছেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এসব বৈঠকে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট। জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেন তারেক রহমান।
এ ছাড়া জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালেহর সঙ্গেও বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। আলোচনায় রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।
আড়ও পড়ুন,আজ রাতে বাংলায় জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
নিউইয়র্কে তুর্কি হাউসে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন তারেক রহমান। সেখানে বাংলাদেশ ও তুরস্কের সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি অর্থনীতি বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। দুই দেশ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে মতবিনিময় করে।
জাতিসংঘ সদর দপ্তরে হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিস-আইমের সঙ্গেও বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। আলোচনায় উঠে আসে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থ এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন বিষয়।
প্রধানমন্ত্রীর এসব বৈঠকের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ ব্যক্তিদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা নিয়ে।
সব মিলিয়ে জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে ধারাবাহিক কূটনৈতিক তৎপরতায় বাংলাদেশের রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।

আপনার মতামত লিখুন