সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় আরও পরিবর্তন আনতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংশোধন অধ্যাদেশ’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।রোববার সকালে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা, ক্রয়কার্যে অধিক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি এবং ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধান সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালী আধুনিকায়ন এবং পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবা ক্রয়ে অনুপাতভিত্তিক মূল্যায়নের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত মূল্যায়ন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ ধরনের ব্যবস্থা চালুর কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন, জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে প্রথমবার ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
সম্পদের সুষম বিস্তারের লক্ষ্যে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ, পেশাগত অসদাচরণ সংক্রান্ত বিধান আরও স্পষ্ট করা এবং রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থার সুযোগ রাখার বিষয়ও খসড়ায় রয়েছে।মন্ত্রিসভা বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে খসড়াটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে এর আগেও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনে একাধিক সংশোধন আনা হয়েছে। ২০২৬ সালের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংশোধন আইনেও সরকারি ক্রয়ে গুণগতমান, দক্ষতা, নৈতিকতা, টেকসই ক্রয় এবং অর্থের সর্বোত্তম মূল্য নিশ্চিত করার বিষয় যুক্ত করা হয়েছে।
বিষয় : অনুমোদনহীন সংশোধন ক্রয় অধ্যাদেশ

রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় আরও পরিবর্তন আনতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংশোধন অধ্যাদেশ’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।রোববার সকালে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা, ক্রয়কার্যে অধিক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি এবং ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিধান সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালী আধুনিকায়ন এবং পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবা ক্রয়ে অনুপাতভিত্তিক মূল্যায়নের বিধান রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত মূল্যায়ন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ ধরনের ব্যবস্থা চালুর কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন, জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে প্রথমবার ভাষণ দেবেন তারেক রহমান
সম্পদের সুষম বিস্তারের লক্ষ্যে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির প্রয়োগ, পেশাগত অসদাচরণ সংক্রান্ত বিধান আরও স্পষ্ট করা এবং রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থার সুযোগ রাখার বিষয়ও খসড়ায় রয়েছে।মন্ত্রিসভা বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে খসড়াটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে এর আগেও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনে একাধিক সংশোধন আনা হয়েছে। ২০২৬ সালের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংশোধন আইনেও সরকারি ক্রয়ে গুণগতমান, দক্ষতা, নৈতিকতা, টেকসই ক্রয় এবং অর্থের সর্বোত্তম মূল্য নিশ্চিত করার বিষয় যুক্ত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন