চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় দীর্ঘ ২৯ বছর পর আইনি প্রক্রিয়ায় নতুন মোড় এসেছে। হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডন। রিমান্ড শেষে বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। তবে মামলার প্রধান আসামি সামিরাসহ অন্য আসামিরা এখনো গ্রেপ্তার হননি।সালমান শাহর মৃত্যুর পর প্রথমবার হত্যা মামলার আবেদন করা হয় ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে নানা কারণে আইনি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়।২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন—পিবিআই। প্রতিবেদনে বলা হয়, সালমান শাহকে হত্যা করা হয়নি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি তাঁর পরিবার। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে রিভিশন আবেদন করা হয়।দীর্ঘ আইনি লড়াই ও তদন্তের পর গত বছর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা করার নির্দেশ দেন।
আড়ও পড়ুন,হার্দিক-আমিশার ভিডিও ভাইরাল, নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন
এর কয়েক দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। মামলায় ডনসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।মামলার পরও ডন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। এমনকি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, তাঁর কোনো ভয় নেই এবং তিনি নির্দোষ। তবে গত ৯ আগস্ট ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।ডনের গ্রেপ্তারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী। তাঁর দাবি, সালমানের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হলে প্রকৃত সত্য সামনে আসবে।এদিকে সালমান শাহর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর যশোরের ভক্তরা মানববন্ধন করে প্রধান আসামি সামিরাসহ অন্যদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।দীর্ঘদিনের রহস্য ঘেরা এই মামলায় এখন ডনের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে নতুন কোনো তথ্য সামনে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে সালমান শাহর পরিবার ও ভক্তরা।
বিষয় : হত্যা সালমান শাহ হত্যা

রোববার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় দীর্ঘ ২৯ বছর পর আইনি প্রক্রিয়ায় নতুন মোড় এসেছে। হত্যা মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হয়েছেন অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডন। রিমান্ড শেষে বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। তবে মামলার প্রধান আসামি সামিরাসহ অন্য আসামিরা এখনো গ্রেপ্তার হননি।সালমান শাহর মৃত্যুর পর প্রথমবার হত্যা মামলার আবেদন করা হয় ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে নানা কারণে আইনি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়।২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দীর্ঘ তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন—পিবিআই। প্রতিবেদনে বলা হয়, সালমান শাহকে হত্যা করা হয়নি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়নি তাঁর পরিবার। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে রিভিশন আবেদন করা হয়।দীর্ঘ আইনি লড়াই ও তদন্তের পর গত বছর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা করার নির্দেশ দেন।
আড়ও পড়ুন,হার্দিক-আমিশার ভিডিও ভাইরাল, নতুন সম্পর্কের গুঞ্জন
এর কয়েক দিন পর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। মামলায় ডনসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়।মামলার পরও ডন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। এমনকি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, তাঁর কোনো ভয় নেই এবং তিনি নির্দোষ। তবে গত ৯ আগস্ট ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।ডনের গ্রেপ্তারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী। তাঁর দাবি, সালমানের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হলে প্রকৃত সত্য সামনে আসবে।এদিকে সালমান শাহর মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর যশোরের ভক্তরা মানববন্ধন করে প্রধান আসামি সামিরাসহ অন্যদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।দীর্ঘদিনের রহস্য ঘেরা এই মামলায় এখন ডনের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে নতুন কোনো তথ্য সামনে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে সালমান শাহর পরিবার ও ভক্তরা।

আপনার মতামত লিখুন