বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস আজ। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দীর্ঘ ১৮ মাসের বন্দিদশা শেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি। বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনের সময় ৭ মার্চ ভোররাতে রাজধানীর বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তৎকালীন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে।এরপর টানা ৫৫৪ দিন কারাবন্দি ছিলেন তিনি। ওই সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া চলতে থাকে।কারাবন্দি অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে—বর্তমান বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। বিএনপির অভিযোগ,
আরও পড়ুন, রোববার নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন, তিন ধাপে বাড়বে বেতন
কারাগারে থাকা অবস্থায় রিমান্ডে তাকে নির্যাতন করা হয়েছিল এবং এতে গুরুতর শারীরিক ক্ষতির শিকার হন তিনি। তবে এসব অভিযোগ নিয়ে সে সময় রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কও ছিল।সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তি পান তারেক রহমান।এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য উচ্চ আদালতের নির্দেশে তাকে লন্ডনে নেওয়া হয়। স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডনে যান তিনি।দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে অবস্থানের পর বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে আবারও সক্রিয় তারেক রহমান। বিএনপির নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তিনি।তার কারামুক্তির দিনটিকে প্রতিবছর ‘তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে বিএনপি ও দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।এবারও দিবসটি ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে নানা কর্মসূচি ও স্মরণ আয়োজন।
বিষয় : তাৎপর্যপূর্ণ প্রধানমন্ত্রী কারামুক্তি

বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস আজ। ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দীর্ঘ ১৮ মাসের বন্দিদশা শেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি। বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনের সময় ৭ মার্চ ভোররাতে রাজধানীর বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তৎকালীন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমানকে।এরপর টানা ৫৫৪ দিন কারাবন্দি ছিলেন তিনি। ওই সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা ও আইনি প্রক্রিয়া চলতে থাকে।কারাবন্দি অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রাজধানীর তৎকালীন পিজি হাসপাতালে—বর্তমান বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করা হয়। বিএনপির অভিযোগ,
আরও পড়ুন, রোববার নবম জাতীয় পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন, তিন ধাপে বাড়বে বেতন
কারাগারে থাকা অবস্থায় রিমান্ডে তাকে নির্যাতন করা হয়েছিল এবং এতে গুরুতর শারীরিক ক্ষতির শিকার হন তিনি। তবে এসব অভিযোগ নিয়ে সে সময় রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্কও ছিল।সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর ২০০৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মুক্তি পান তারেক রহমান।এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য উচ্চ আদালতের নির্দেশে তাকে লন্ডনে নেওয়া হয়। স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও একমাত্র মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে লন্ডনে যান তিনি।দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে অবস্থানের পর বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে আবারও সক্রিয় তারেক রহমান। বিএনপির নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তিনি।তার কারামুক্তির দিনটিকে প্রতিবছর ‘তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে বিএনপি ও দলটির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন।এবারও দিবসটি ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে রয়েছে নানা কর্মসূচি ও স্মরণ আয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন