রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার ৩ নম্বর বড়বিল ইউনিয়নের মনিরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ ও খাতা বিতরণ করা হয়েছে।বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা তহবিল (অর্থবছর ২০২৫–২৬) থেকে বরাদ্দপ্রাপ্ত অর্থের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এসব শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে ৩ নম্বর বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল হুদা শিক্ষার্থীদের হাতে স্কুল ব্যাগ ও খাতা তুলে দেন। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন, প্লাস্টিকের দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে গংগাচড়ার ঐতিহ্যবাহী বাঁশ শিল্প
স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। স্থানীয়রা জানান, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল হুদা বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সহজ করতে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করা হবে।বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এ উদ্যোগের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বিষয় : শিক্ষার্থী ব্যাগ বিতরণ উন্নয়ন সহায়তা

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার ৩ নম্বর বড়বিল ইউনিয়নের মনিরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ ও খাতা বিতরণ করা হয়েছে।বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তা তহবিল (অর্থবছর ২০২৫–২৬) থেকে বরাদ্দপ্রাপ্ত অর্থের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে এসব শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে ৩ নম্বর বড়বিল ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল হুদা শিক্ষার্থীদের হাতে স্কুল ব্যাগ ও খাতা তুলে দেন। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন, প্লাস্টিকের দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে গংগাচড়ার ঐতিহ্যবাহী বাঁশ শিল্প
স্কুল ব্যাগ ও শিক্ষা উপকরণ পেয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়। স্থানীয়রা জানান, প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল হুদা বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং দরিদ্র ও অসচ্ছল পরিবারের শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সহজ করতে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করা হবে।বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এ উদ্যোগের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন