মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের—মাউশির আওতাধীন শিক্ষক ও কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এ জন্য গঠন করা হয়েছে বিশেষ ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’।মাউশির প্রকাশিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।চিঠি অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারসংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯’ এবং সরকারি আচরণবিধি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
আরও পড়ুন, মহাসড়কে আর চলবে না কোনো থ্রি-হুইলার, এআই ক্যামেরায় হবে অটো ফাইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এই নির্দেশনা সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা পরিবীক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নতুন এই কমিটিকে।মাউশির অধীন কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নীতিমালা পরিপন্থী স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও বা পোস্ট প্রকাশ কিংবা প্রচার করলে তা তথ্য-প্রমাণসহ কমিটির কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।অভিযোগ বা তথ্য পাঠানোর সময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মকর্তার নাম, পদবি ও কর্মস্থল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম ও অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের লিংক, পোস্ট প্রকাশের তারিখ ও সময় এবং স্ক্রিনশটসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণ যুক্ত করতে হবে।এসব তথ্য কমিটির আহ্বায়কের ই-মেইলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিষয় : নজরদারি অডিট অধিদপ্তর শিক্ষক-কর্মচারী

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের—মাউশির আওতাধীন শিক্ষক ও কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এ জন্য গঠন করা হয়েছে বিশেষ ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং কমিটি’।মাউশির প্রকাশিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।চিঠি অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারসংক্রান্ত নির্দেশিকা, ২০১৯’ এবং সরকারি আচরণবিধি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
আরও পড়ুন, মহাসড়কে আর চলবে না কোনো থ্রি-হুইলার, এআই ক্যামেরায় হবে অটো ফাইন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এই নির্দেশনা সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা পরিবীক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নতুন এই কমিটিকে।মাউশির অধীন কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নীতিমালা পরিপন্থী স্ট্যাটাস, মন্তব্য, ছবি, ভিডিও বা পোস্ট প্রকাশ কিংবা প্রচার করলে তা তথ্য-প্রমাণসহ কমিটির কাছে পাঠাতে বলা হয়েছে।অভিযোগ বা তথ্য পাঠানোর সময় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মকর্তার নাম, পদবি ও কর্মস্থল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের নাম ও অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের লিংক, পোস্ট প্রকাশের তারিখ ও সময় এবং স্ক্রিনশটসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণ যুক্ত করতে হবে।এসব তথ্য কমিটির আহ্বায়কের ই-মেইলে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন