আগামী ১৪৪৮ হিজরি ওমরাহ মৌসুমের জন্য অনুমোদিত ১২৮টি ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে এসব এজেন্সির জন্য একাধিক বাধ্যতামূলক শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার দেশের সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে পাঠিয়েছে। এতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সংযুক্ত করা হয়।নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত এজেন্সিগুলো জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি এবং হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২২ অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
আরও পড়ুন, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস
প্রতি এজেন্সি সর্বোচ্চ এক হাজার ওমরাহযাত্রী পাঠাতে পারবে। যাত্রীদের সঙ্গে লিখিত চুক্তি করা, প্রতিশ্রুত সেবা নিশ্চিত করা, নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে পাঠানো এবং সময়মতো দেশে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব এজেন্সির ওপর থাকবে।এছাড়া প্রতিটি এজেন্সির জন্য একটি নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে এবং যাত্রীদের তথ্য নির্ধারিত ফরমে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিসে জমা দিতে হবে।সরকার জানিয়েছে, নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে পরবর্তী বছরের অনুমোদিত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে এবং বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ওমরাহযাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম রোধে এসব শর্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বিষয় : এজেন্সি নতুন শর্ত ওমরাহ মৌসুম

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
আগামী ১৪৪৮ হিজরি ওমরাহ মৌসুমের জন্য অনুমোদিত ১২৮টি ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে এসব এজেন্সির জন্য একাধিক বাধ্যতামূলক শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ-১ এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার দেশের সব অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে পাঠিয়েছে। এতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা সংযুক্ত করা হয়।নির্দেশনা অনুযায়ী, অনুমোদিত এজেন্সিগুলো জাতীয় হজ ও ওমরাহ নীতি এবং হজ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২২ অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
আরও পড়ুন, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস
প্রতি এজেন্সি সর্বোচ্চ এক হাজার ওমরাহযাত্রী পাঠাতে পারবে। যাত্রীদের সঙ্গে লিখিত চুক্তি করা, প্রতিশ্রুত সেবা নিশ্চিত করা, নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে পাঠানো এবং সময়মতো দেশে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব এজেন্সির ওপর থাকবে।এছাড়া প্রতিটি এজেন্সির জন্য একটি নির্ধারিত ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে এবং যাত্রীদের তথ্য নির্ধারিত ফরমে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ হজ অফিসে জমা দিতে হবে।সরকার জানিয়েছে, নিয়ম লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সিকে পরবর্তী বছরের অনুমোদিত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হতে পারে এবং বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ওমরাহযাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং অনিয়ম রোধে এসব শর্ত কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন