পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছর মেয়াদি দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সীমান্ত সড়কে বৃক্ষচারা রোপণ অভিযান শুরু হয়েছে।২ আগস্ট (রোববার) সাদিয়াপাড়া, ধনিরামপাড়া ও লক্ষিছড়া এলাকার সীমান্ত সড়কসংলগ্ন স্থানে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে করলিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে প্রায় এক হাজার বনজ, ফলদ ও ফুলের গাছের চারা রোপণ করা হয়।বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।এ সময় উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের জেলা কর্মকর্তা ও করলিয়া প্রকল্পের সভাপতি নবলেশ্বর দেওয়ান, জেলা পরিষদের সদস্য ধনেশ্বর ত্রিপুরা, উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর রাসিল ত্রিপুরা,
আরও পড়ুন, নরসিংদীতে বাড়িতে ঢুকে মাথায় ও পায়ে গুলি মোমেন নামে একজনকে হত্যা
গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হরিপদ ত্রিপুরাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবেশকে রক্ষা করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের এ মহৎ উদ্যোগ সফল করতে স্থানীয় জনগণকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে হবে। পাশাপাশি রোপণ করা প্রতিটি চারার সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে।”বক্তারা বলেন, পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় উপকারভোগীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষচারা রোপণ করা হয়।

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৬
পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছর মেয়াদি দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার সীমান্ত সড়কে বৃক্ষচারা রোপণ অভিযান শুরু হয়েছে।২ আগস্ট (রোববার) সাদিয়াপাড়া, ধনিরামপাড়া ও লক্ষিছড়া এলাকার সীমান্ত সড়কসংলগ্ন স্থানে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে করলিয়া প্রকল্পের উদ্যোগে প্রায় এক হাজার বনজ, ফলদ ও ফুলের গাছের চারা রোপণ করা হয়।বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা।এ সময় উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের জেলা কর্মকর্তা ও করলিয়া প্রকল্পের সভাপতি নবলেশ্বর দেওয়ান, জেলা পরিষদের সদস্য ধনেশ্বর ত্রিপুরা, উপজেলা ফ্যাসিলিটেটর রাসিল ত্রিপুরা,
আরও পড়ুন, নরসিংদীতে বাড়িতে ঢুকে মাথায় ও পায়ে গুলি মোমেন নামে একজনকে হত্যা
গুইমারা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হরিপদ ত্রিপুরাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে পরিবেশকে রক্ষা করতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের এ মহৎ উদ্যোগ সফল করতে স্থানীয় জনগণকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে হবে। পাশাপাশি রোপণ করা প্রতিটি চারার সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে।”বক্তারা বলেন, পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় উপকারভোগীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষচারা রোপণ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন