হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির পদযাত্রা কর্মসূচি শেষে সংঘর্ষ ও হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এনসিপির দাবি, তাদের কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়েছে। তবে ছাত্রদল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের থানার মোড় এলাকায় এনসিপির পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। দলটির অভিযোগ, ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।সংঘর্ষের একপর্যায়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম সোনালী ব্যাংকের ভেতরে আশ্রয় নেন। পরে তারা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। রাত ৮টার দিকে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউজে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন, হিজলায় কঠোর নিরাপত্তায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
এনসিপির দাবি, হামলায় সারজিস আলম, জেলা সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান মুবিনসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন এবং তাদের বহনকারী গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে।“আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।”অন্যদিকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এনসিপির ওপর হামলার সঙ্গে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের কোনো সম্পর্ক নেই।ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এনসিপি। বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি—এনসিপির পদযাত্রা কর্মসূচি শেষে সংঘর্ষ ও হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এনসিপির দাবি, তাদের কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়েছে। তবে ছাত্রদল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ শহরের থানার মোড় এলাকায় এনসিপির পদযাত্রা শেষে ফেরার পথে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। দলটির অভিযোগ, ছাত্রদল নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।সংঘর্ষের একপর্যায়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলম সোনালী ব্যাংকের ভেতরে আশ্রয় নেন। পরে তারা সেখানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। রাত ৮টার দিকে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে সার্কিট হাউজে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন, হিজলায় কঠোর নিরাপত্তায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
এনসিপির দাবি, হামলায় সারজিস আলম, জেলা সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান মুবিনসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন এবং তাদের বহনকারী গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে।“আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে।”অন্যদিকে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এনসিপির ওপর হামলার সঙ্গে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের কোনো সম্পর্ক নেই।ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এনসিপি। বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি।হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

আপনার মতামত লিখুন