নরসিংদীর মাধবদীতে ডাকাতদের হামলায় গৃহকর্তা শাহজাহান মিয়া হত্যার ঘটনায় বড় অগ্রগতির দাবি করেছে পুলিশ। আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বিস্তারিত জানাচ্ছেন…মাধবদী উপজেলার বলভদ্রদী এলাকায় গত ১৮ জুলাই গভীর রাতে সংঘটিত ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ড এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনার পরপরই নরসিংদী জেলা পুলিশ বিশেষ তদন্ত শুরু করে।আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরসিংদী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
আরও পড়ুন, যান্ত্রিক ত্রুটি ও তীব্র লোডশেডিং: মাদারগঞ্জে থমকে গেছে দৈনন্দিন জীবন
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— জুবায়ের হোসেন, আশিক আহমদ, মোজাহিদ রহমান অপু, সুজন মিয়া, ফারুক মিয়া, রোমান মিয়া ও হৃদয় মিয়া।“গ্রেফতার হওয়া আসামিদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতার এবং ডাকাতির মালামাল উদ্ধারে মঙ্গলবার মাধবদী থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, এই চক্রটি একাধিক জেলায় সক্রিয় ছিল এবং পরিকল্পিতভাবে ডাকাতি সংঘটিত করত।চাঞ্চল্যকর এই হত্যা ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্য সদস্যদের গ্রেফতার এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান এখনও চলছে।
বিষয় : পুলিশ গৃহকর্তা হত্যা ডাকাত গ্রেফতার

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুলাই ২০২৬
নরসিংদীর মাধবদীতে ডাকাতদের হামলায় গৃহকর্তা শাহজাহান মিয়া হত্যার ঘটনায় বড় অগ্রগতির দাবি করেছে পুলিশ। আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বিস্তারিত জানাচ্ছেন…মাধবদী উপজেলার বলভদ্রদী এলাকায় গত ১৮ জুলাই গভীর রাতে সংঘটিত ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ড এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। ঘটনার পরপরই নরসিংদী জেলা পুলিশ বিশেষ তদন্ত শুরু করে।আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরসিংদী, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক অভিযান চালানো হয়। অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সাত সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়।
আরও পড়ুন, যান্ত্রিক ত্রুটি ও তীব্র লোডশেডিং: মাদারগঞ্জে থমকে গেছে দৈনন্দিন জীবন
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— জুবায়ের হোসেন, আশিক আহমদ, মোজাহিদ রহমান অপু, সুজন মিয়া, ফারুক মিয়া, রোমান মিয়া ও হৃদয় মিয়া।“গ্রেফতার হওয়া আসামিদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতার এবং ডাকাতির মালামাল উদ্ধারে মঙ্গলবার মাধবদী থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, এই চক্রটি একাধিক জেলায় সক্রিয় ছিল এবং পরিকল্পিতভাবে ডাকাতি সংঘটিত করত।চাঞ্চল্যকর এই হত্যা ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত অন্য সদস্যদের গ্রেফতার এবং লুট হওয়া মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান এখনও চলছে।

আপনার মতামত লিখুন