চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে গড়ে ওঠা বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল দেশের শিল্পায়ন ও রপ্তানির নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ড্রোন, ওষুধশিল্পের কাঁচামাল, ব্যাটারি প্লেট ও উচ্চপ্রযুক্তির নানা পণ্য উৎপাদনে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়লেও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে গ্যাস সংকট।বেপজার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এক হাজার ৩০২ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই মেগা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, মূল বাজেটের তুলনায় প্রায় ১৬৩ কোটি টাকা কম ব্যয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে বেপজা।অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে রয়েছে ৫৩৯টি শিল্প প্লট ও দুটি আধুনিক কারখানা ভবন। এরই মধ্যে ৬৩টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান জমি ইজারা চুক্তি করেছে, যেখানে সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ১ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আরও ৪০টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের চূড়ান্ত আলোচনায় রয়েছে।
আরও পড়ুন , দুই বাজারেই বেড়েছে লেনদেন; ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ৪১ পয়েন্ট
ইতোমধ্যে ১২টি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক উৎপাদন ও রপ্তানি শুরু করেছে। কর্মসংস্থান ও রপ্তানিতে এগিয়ে রয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান ‘কাইজি লঞ্জারি বাংলাদেশ’, যা তিন হাজার ৬৫১ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।তবে উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, গ্যাস সংযোগের অভাবে কারখানাগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে যেতে পারছে না। বর্তমানে ১৫টি প্রতিষ্ঠান বিকল্প ব্যবস্থায় উৎপাদন চালালেও সক্ষমতার অর্ধেকও কাজে লাগাতে পারছে না।বেপজা বলছে, গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে বিনিয়োগ প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। পাশাপাশি জোনের ভেতরে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল কাস্টমস সেবা চালু হলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ হবে।সংশ্লিষ্টদের মতে, গ্যাস ও কাস্টমস সংকট দ্রুত সমাধান করা গেলে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকেই বছরে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি এবং প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
বিষয় : ড্রোন রপ্তানি গ্যাস সংকট

বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে গড়ে ওঠা বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল দেশের শিল্পায়ন ও রপ্তানির নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। ড্রোন, ওষুধশিল্পের কাঁচামাল, ব্যাটারি প্লেট ও উচ্চপ্রযুক্তির নানা পণ্য উৎপাদনে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়লেও বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে গ্যাস সংকট।বেপজার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এক হাজার ৩০২ কোটি ৯১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই মেগা অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, মূল বাজেটের তুলনায় প্রায় ১৬৩ কোটি টাকা কম ব্যয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে বেপজা।অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে রয়েছে ৫৩৯টি শিল্প প্লট ও দুটি আধুনিক কারখানা ভবন। এরই মধ্যে ৬৩টি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান জমি ইজারা চুক্তি করেছে, যেখানে সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ১ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আরও ৪০টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগের চূড়ান্ত আলোচনায় রয়েছে।
আরও পড়ুন , দুই বাজারেই বেড়েছে লেনদেন; ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ৪১ পয়েন্ট
ইতোমধ্যে ১২টি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক উৎপাদন ও রপ্তানি শুরু করেছে। কর্মসংস্থান ও রপ্তানিতে এগিয়ে রয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান ‘কাইজি লঞ্জারি বাংলাদেশ’, যা তিন হাজার ৬৫১ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।তবে উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, গ্যাস সংযোগের অভাবে কারখানাগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে যেতে পারছে না। বর্তমানে ১৫টি প্রতিষ্ঠান বিকল্প ব্যবস্থায় উৎপাদন চালালেও সক্ষমতার অর্ধেকও কাজে লাগাতে পারছে না।বেপজা বলছে, গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে বিনিয়োগ প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। পাশাপাশি জোনের ভেতরে পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল কাস্টমস সেবা চালু হলে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও সহজ হবে।সংশ্লিষ্টদের মতে, গ্যাস ও কাস্টমস সংকট দ্রুত সমাধান করা গেলে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল থেকেই বছরে ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি এবং প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন