নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ মারধর করতে পারলে অর্থ পুরস্কার ঘোষণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন আন্দোলনের এক নেতা।সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নড়াইল সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম।অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট, কথিত ভুয়া ভিডিও প্রচার এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মারধর করতে পারলে ৫০ হাজার টাকা থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছেন।আমিরুল ইসলামের দাবি,
আরও পড়ুন, গাজীপুরে গাছা ভূমি অফিসে সেবার মান বেড়েছে
এসব কর্মকাণ্ড তার এবং আন্দোলনের অন্যান্য নেতাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে।তিনি বলেন, বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী কর্মসূচির কথাও বিবেচনা করা হবে।এদিকে অভিযোগের বিষয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অজয় কুমার কুন্ডু জানিয়েছেন, অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অন্যদিকে অভিযুক্তদের একজন আব্দুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি অভিযোগকারীকে চেনেন না এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক।ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বিষয় : নিরাপত্তা জুলাই যোদ্ধা ছাত্র আন্দোলনে

বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জুলাই ২০২৬
নড়াইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়া ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ মারধর করতে পারলে অর্থ পুরস্কার ঘোষণার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন আন্দোলনের এক নেতা।সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নড়াইল সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম।অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক পোস্ট, কথিত ভুয়া ভিডিও প্রচার এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের মারধর করতে পারলে ৫০ হাজার টাকা থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার ঘোষণা করেছেন।আমিরুল ইসলামের দাবি,
আরও পড়ুন, গাজীপুরে গাছা ভূমি অফিসে সেবার মান বেড়েছে
এসব কর্মকাণ্ড তার এবং আন্দোলনের অন্যান্য নেতাদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছে।তিনি বলেন, বিষয়টির প্রতিকার চেয়ে আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী কর্মসূচির কথাও বিবেচনা করা হবে।এদিকে অভিযোগের বিষয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অজয় কুমার কুন্ডু জানিয়েছেন, অভিযোগটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অন্যদিকে অভিযুক্তদের একজন আব্দুল্লাহ আল জাবের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি অভিযোগকারীকে চেনেন না এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক।ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আপনার মতামত লিখুন