রাজধানীর ভাটারা থানার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের নূরেরচালা এলাকায় মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় । মানববন্ধন শেষে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে গত বৃহস্পতিবার নুরেরচালাএলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে কিছু লোক সন্ধা ৭টা ৩০ মিনিট থেকে ৮টা পর্যন্ত নূরেরচালা বোট ঘাটে মানববন্ধন করেছেন। সম্প্রতি ভাটারা থানার ৩৯নং ওয়ার্ডের একটি মামলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ জানাতেই এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা সন্ত্রাসী, অবৈধ অস্ত্রধারী এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তারা ওই মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারীরা বলেন, নূরেরচালা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। তাদের দাবি,
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় সয়ড়াবাড়ী রহিম উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন
কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না। তারা প্রশাসনের কাছে এসব অভিযোগ দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।অংশগ্রহণকারীরা আরো বলেন, নুরের চালা এলাকায় ২ টি মাদকের স্পট দীর্ঘ দিন যাবত চলমান আছে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং চাঁদাবাজির মতো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না। স্থানীয়দের দাবি, নূরেরচালায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা এবং এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ইউসুফ হোসেন বলেন, "আমাদের দাবি একটাই—নূরেরচালা এলাকায় মাদক, জুয়া ও সন্ত্রাসসংক্রান্ত যেসব অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। যদি কেউ অপরাধে জড়িত থাকে, তার রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনা হোক।" তিনি আরও বলেন, "যারা অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলেন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন, তারা যেন হয়রানি বা ভয়ভীতির শিকার না হন।
আরও পড়ুন, বগুড়া সদর থানা পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী বেদনা বেগমসহ ১৬ জন গ্রেফতার
আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হোক এবং নির্দোষ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন।"ইউসুফ হোসেনের দাবি, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিয়মিত টহল, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধ দমনে ধারাবাহিক অভিযান প্রয়োজন। ইউসুফ হোসেন বলেন, তিনি উক্ত ঘটনার সাথে কোনোভাবেই তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন না।ওই সময় তিনি এলাকার বাইরে ছিলেন তবুও তাকে আসামি করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, যারা মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী এবং মাদক সেবনকারী তারা এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত।একাধিক সুত্রে জানা গেছে, ইউসুফ ততহোসেন এলাকায় একজন শিক্ষিত ও ভদ্র ব্যবসায়ী। কেন তাকে আসামি করা হলো এবং এর পিছনে কারা কারা আছে তা খতিয়ে দেখার দাবী এলাকাবাসীর। এছাড়া এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ কর্মকাণ্ড নির্মূলে কার্যকর অভিযান পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করেন এলাকার অনেকেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিয়মিত টহল, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধ দমনে ধারাবাহিক অভিযান প্রয়োজন বলেও মনে করেন।

রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর ভাটারা থানার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের নূরেরচালা এলাকায় মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় । মানববন্ধন শেষে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে গত বৃহস্পতিবার নুরেরচালাএলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে কিছু লোক সন্ধা ৭টা ৩০ মিনিট থেকে ৮টা পর্যন্ত নূরেরচালা বোট ঘাটে মানববন্ধন করেছেন। সম্প্রতি ভাটারা থানার ৩৯নং ওয়ার্ডের একটি মামলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবাদ জানাতেই এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা সন্ত্রাসী, অবৈধ অস্ত্রধারী এবং মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দাবি করেন, এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অবস্থান নেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। তারা ওই মামলার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। মানববন্ধনে অংশগ্রহনকারীরা বলেন, নূরেরচালা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। তাদের দাবি,
আরও পড়ুন, গঙ্গাচড়ায় সয়ড়াবাড়ী রহিম উদ্দিন দাখিল মাদ্রাসার একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন
কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না। তারা প্রশাসনের কাছে এসব অভিযোগ দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করে জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।অংশগ্রহণকারীরা আরো বলেন, নুরের চালা এলাকায় ২ টি মাদকের স্পট দীর্ঘ দিন যাবত চলমান আছে। এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কার্যক্রম এবং চাঁদাবাজির মতো অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না। স্থানীয়দের দাবি, নূরেরচালায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা এবং এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ইউসুফ হোসেন বলেন, "আমাদের দাবি একটাই—নূরেরচালা এলাকায় মাদক, জুয়া ও সন্ত্রাসসংক্রান্ত যেসব অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। যদি কেউ অপরাধে জড়িত থাকে, তার রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনা না করে আইনের আওতায় আনা হোক।" তিনি আরও বলেন, "যারা অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলেন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন, তারা যেন হয়রানি বা ভয়ভীতির শিকার না হন।
আরও পড়ুন, বগুড়া সদর থানা পুলিশের অভিযানে মাদক কারবারী বেদনা বেগমসহ ১৬ জন গ্রেফতার
আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটিত হোক এবং নির্দোষ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন।"ইউসুফ হোসেনের দাবি, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিয়মিত টহল, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধ দমনে ধারাবাহিক অভিযান প্রয়োজন। ইউসুফ হোসেন বলেন, তিনি উক্ত ঘটনার সাথে কোনোভাবেই তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন না।ওই সময় তিনি এলাকার বাইরে ছিলেন তবুও তাকে আসামি করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, যারা মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী এবং মাদক সেবনকারী তারা এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত।একাধিক সুত্রে জানা গেছে, ইউসুফ ততহোসেন এলাকায় একজন শিক্ষিত ও ভদ্র ব্যবসায়ী। কেন তাকে আসামি করা হলো এবং এর পিছনে কারা কারা আছে তা খতিয়ে দেখার দাবী এলাকাবাসীর। এছাড়া এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ কর্মকাণ্ড নির্মূলে কার্যকর অভিযান পরিচালনা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে মনে করেন এলাকার অনেকেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে নিয়মিত টহল, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধ দমনে ধারাবাহিক অভিযান প্রয়োজন বলেও মনে করেন।

আপনার মতামত লিখুন