নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলা-র ঘাগড়া ইউনিয়নের বাইঞ্জা (বিয়ারকান্দা) গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতঘর ও একটি রান্নাঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে নগদ অর্থ, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় সামগ্রীসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।বুধবার (১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মো. লিটন আকন্দের বাড়িতে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়দের মতে, আগুন লাগার পর অল্প সময়ের মধ্যেই তা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি চারচালা টিনের বসতঘর ও একটি দুচালা টিনের রান্নাঘর আগুনে ভস্মীভূত হয়।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, আগুনে নগদ ২ লাখ টাকা, মূল্যবান আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় এবং সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে যায়। তাদের হিসাব অনুযায়ী, মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকা। তবে এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
আরও পড়ুন, কৃষি উপকরণ মজুতের অভিযোগে প্রশাসনের অভিযান, জব্দ ৩০০ বস্তা সার
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এগিয়ে এসে পাশের পুকুর ও বাড়ির পানির লাইনের পানি ব্যবহার করে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর পূর্বধলা ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।এই অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি এখন মানবিক সংকটে পড়েছে। বসতঘর পুড়ে যাওয়ায় তারা আপাতত খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন এবং স্থানীয়ভাবে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।
বিষয় : ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আসবাবপত্র

বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলা-র ঘাগড়া ইউনিয়নের বাইঞ্জা (বিয়ারকান্দা) গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতঘর ও একটি রান্নাঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে নগদ অর্থ, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালির প্রয়োজনীয় সামগ্রীসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।বুধবার (১ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মো. লিটন আকন্দের বাড়িতে আগুনের সূত্রপাত হয়। স্থানীয়দের মতে, আগুন লাগার পর অল্প সময়ের মধ্যেই তা পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি চারচালা টিনের বসতঘর ও একটি দুচালা টিনের রান্নাঘর আগুনে ভস্মীভূত হয়।ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, আগুনে নগদ ২ লাখ টাকা, মূল্যবান আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় এবং সংসারের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে যায়। তাদের হিসাব অনুযায়ী, মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১০ লাখ টাকা। তবে এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।
আরও পড়ুন, কৃষি উপকরণ মজুতের অভিযোগে প্রশাসনের অভিযান, জব্দ ৩০০ বস্তা সার
ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত এগিয়ে এসে পাশের পুকুর ও বাড়ির পানির লাইনের পানি ব্যবহার করে প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর পূর্বধলা ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।এই অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি এখন মানবিক সংকটে পড়েছে। বসতঘর পুড়ে যাওয়ায় তারা আপাতত খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন এবং স্থানীয়ভাবে সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন