রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ বড় ধরনের সোনা জব্দের ঘটনা ঘটেছে। দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের কার্গোহোল থেকে প্রায় ১৯ কেজি ওজনের ১৬০টি সোনার বার উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, কাস্টমস এবং একটি জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ দল।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পরিচালিত এই অভিযানে বিমানের কার্গোহোলে অভিনব কৌশলে লুকিয়ে রাখা সোনার বারগুলো জব্দ করা হয়।কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার কামরুল হাসান জানান, দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় আসা ।
আরও পড়ুন, ২০২৭ সালের হজ প্রাক-নিবন্ধনে নতুন নির্দেশনা
বিজি-১৪৮ ফ্লাইটে সোনার একটি বড় চালান আসছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগে থেকেই রানওয়েতে অবস্থান নেয় যৌথ অভিযানকারী দল। পরে বিমান তল্লাশি চালিয়ে কার্গোহোল থেকে সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়।কাস্টমস কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, জব্দ করা সোনার মোট ওজন প্রায় ১৯ কেজি এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা।তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।কাস্টমস ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন সোনার প্রকৃত বাহক, চোরাচালান পদ্ধতি এবং এর সঙ্গে জড়িত চক্রকে শনাক্ত করার জন্য যৌথভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কর্মকর্তাদের আশা, তদন্তের মাধ্যমে পুরো চোরাচালান নেটওয়ার্ক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ বড় ধরনের সোনা জব্দের ঘটনা ঘটেছে। দুবাই থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স-এর একটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের কার্গোহোল থেকে প্রায় ১৯ কেজি ওজনের ১৬০টি সোনার বার উদ্ধার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, কাস্টমস এবং একটি জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ দল।বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পরিচালিত এই অভিযানে বিমানের কার্গোহোলে অভিনব কৌশলে লুকিয়ে রাখা সোনার বারগুলো জব্দ করা হয়।কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার কামরুল হাসান জানান, দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় আসা ।
আরও পড়ুন, ২০২৭ সালের হজ প্রাক-নিবন্ধনে নতুন নির্দেশনা
বিজি-১৪৮ ফ্লাইটে সোনার একটি বড় চালান আসছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগে থেকেই রানওয়েতে অবস্থান নেয় যৌথ অভিযানকারী দল। পরে বিমান তল্লাশি চালিয়ে কার্গোহোল থেকে সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়।কাস্টমস কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, জব্দ করা সোনার মোট ওজন প্রায় ১৯ কেজি এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৪৫ কোটি টাকা।তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।কাস্টমস ও সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন সোনার প্রকৃত বাহক, চোরাচালান পদ্ধতি এবং এর সঙ্গে জড়িত চক্রকে শনাক্ত করার জন্য যৌথভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। কর্মকর্তাদের আশা, তদন্তের মাধ্যমে পুরো চোরাচালান নেটওয়ার্ক সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন