আজ ৩০ জুন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখযোদ্ধা এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানের জন্য পরিচিত তরুণ নেতা শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর ৩৩তম জন্মদিন। ১৯৯৩ সালের এই দিনে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায় তাঁর জন্ম। বেঁচে থাকলে আজ তিনি ৩৩ বছরে পদার্পণ করতেন।শহীদ ওসমান হাদী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক (লেকচারার) হিসেবে শিক্ষকতা করতেন। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা এবং পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদ, মাফিয়াতন্ত্র ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তাঁর প্রতিষ্ঠিত 'ইনকিলাব মঞ্চ' দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে তিনি ছিলেন তরুণ প্রজন্মের এক সাহসী কণ্ঠস্বর।
আরও পড়ুন, শিবচরে ঘন ঘন লোডশেডিং ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে জনদুর্ভোগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় থাকাকালে ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে তিনি শাহাদাতবরণ করেন।তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য শুভেচ্ছা, স্মৃতিচারণ, পোস্টার ও শ্রদ্ধাবার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে তাঁর হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবিও নতুন করে উচ্চারিত হচ্ছে। অনেকেই তাঁকে সাহস, আত্মত্যাগ ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করছেন।
বিষয় : জন্মদিন জন্মদিন ওসমান হাদী

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
আজ ৩০ জুন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখযোদ্ধা এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানের জন্য পরিচিত তরুণ নেতা শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর ৩৩তম জন্মদিন। ১৯৯৩ সালের এই দিনে ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায় তাঁর জন্ম। বেঁচে থাকলে আজ তিনি ৩৩ বছরে পদার্পণ করতেন।শহীদ ওসমান হাদী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক (লেকচারার) হিসেবে শিক্ষকতা করতেন। ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা এবং পরবর্তীতে ফ্যাসিবাদ, মাফিয়াতন্ত্র ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তাঁর প্রতিষ্ঠিত 'ইনকিলাব মঞ্চ' দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্নে তিনি ছিলেন তরুণ প্রজন্মের এক সাহসী কণ্ঠস্বর।
আরও পড়ুন, শিবচরে ঘন ঘন লোডশেডিং ও অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগে জনদুর্ভোগ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় থাকাকালে ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তদের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে তিনি শাহাদাতবরণ করেন।তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসংখ্য শুভেচ্ছা, স্মৃতিচারণ, পোস্টার ও শ্রদ্ধাবার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে তাঁর হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার দাবিও নতুন করে উচ্চারিত হচ্ছে। অনেকেই তাঁকে সাহস, আত্মত্যাগ ও প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করছেন।

আপনার মতামত লিখুন