সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুরুতে তিন ধাপে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও সরকারি চাকরিজীবীদের দাবির মুখে তা পরিবর্তন করে দুই ধাপে বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রথম ধাপেই সম্ভাব্য বেতন বৃদ্ধির ৬০ শতাংশ সুবিধা পাবেন। অন্যদিকে, ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ বর্ধিত বেতন কার্যকরের চিন্তাভাবনা চলছে।এছাড়া দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য দূর করতে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য পৃথক রোডম্যাপ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, ১১ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, কয়েক বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
মূল বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে বাড়িভাড়া ভাতার হার যৌক্তিক পর্যায়ে পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবও বিবেচনায় রয়েছে।এ ছাড়া চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা সহায়ক ভাতা, যাতায়াত ভাতা, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা এবং অন্যান্য কিছু ভাতা পুনর্বিন্যাস বা সমন্বয়ের বিষয়েও আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে কম ব্যবহৃত বা অপ্রাসঙ্গিক কিছু ভাতা বাতিলের প্রস্তাবও রয়েছে।সরকারের লক্ষ্য আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা। যদিও প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে, তবে কার্যকারিতা ১ জুলাই থেকেই গণ্য হবে। ফলে বর্ধিত বেতনের বকেয়া অর্থ পরবর্তীতে পরিশোধ করা হবে।পে-স্কেল বাস্তবায়নের আগে প্রয়োজনীয় আইনগত যাচাই, বিধিমালা সংশোধন এবং বেতন নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় করার কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
বিষয় : চূড়ান্ত পর্যায় নবম পে-স্কেল দুই ধাপ

মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জুন ২০২৬
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রস্তুতি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুরুতে তিন ধাপে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও সরকারি চাকরিজীবীদের দাবির মুখে তা পরিবর্তন করে দুই ধাপে বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রথম ধাপেই সম্ভাব্য বেতন বৃদ্ধির ৬০ শতাংশ সুবিধা পাবেন। অন্যদিকে, ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য প্রথম ধাপে ৪০ শতাংশ বর্ধিত বেতন কার্যকরের চিন্তাভাবনা চলছে।এছাড়া দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য দূর করতে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য পৃথক রোডম্যাপ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, ১১ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সতর্কতা, কয়েক বিভাগে ভারী বর্ষণের আভাস
মূল বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে সরকারি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে বাড়িভাড়া ভাতার হার যৌক্তিক পর্যায়ে পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবও বিবেচনায় রয়েছে।এ ছাড়া চিকিৎসা ভাতা, শিক্ষা সহায়ক ভাতা, যাতায়াত ভাতা, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ ভাতা এবং অন্যান্য কিছু ভাতা পুনর্বিন্যাস বা সমন্বয়ের বিষয়েও আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে কম ব্যবহৃত বা অপ্রাসঙ্গিক কিছু ভাতা বাতিলের প্রস্তাবও রয়েছে।সরকারের লক্ষ্য আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা। যদিও প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে, তবে কার্যকারিতা ১ জুলাই থেকেই গণ্য হবে। ফলে বর্ধিত বেতনের বকেয়া অর্থ পরবর্তীতে পরিশোধ করা হবে।পে-স্কেল বাস্তবায়নের আগে প্রয়োজনীয় আইনগত যাচাই, বিধিমালা সংশোধন এবং বেতন নির্ধারণ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় করার কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন