জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন জনসমাগমস্থল। তাই এই এলাকা আরও পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন এলাকায় চলমান পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।ডেপুটি স্পিকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় সাধারণ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত গণশৌচাগারের ব্যবস্থা না থাকায় দর্শনার্থীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। তাই ভ্রাম্যমাণ গণশৌচাগার ব্যবহার উপযোগী রাখার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন একটি বিশ্বখ্যাত স্থাপত্য নিদর্শন। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে মানিক মিয়া এভিনিউতে আসেন। কিন্তু কিছু স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা ও বর্জ্য
আরো পড়ুন , জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক
ব্যবস্থাপনার ঘাটতি পরিবেশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়, এটি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিশেষ করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।ডেপুটি স্পিকার সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।তিনি বলেন, মানিক মিয়া এভিনিউ ও সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকা আরও সবুজ ও নান্দনিক করতে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাড়াতে হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দর্শনার্থীদের জন্য মনোরম পরিবেশ তৈরি হবে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদ সচিবালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগে এই এলাকা রাজধানীর একটি আদর্শ, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপরিসরে রূপান্তরিত হবে।

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দৃষ্টিনন্দন জনসমাগমস্থল। তাই এই এলাকা আরও পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব ও জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।বৃহস্পতিবার মানিক মিয়া এভিনিউ সংলগ্ন এলাকায় চলমান পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।ডেপুটি স্পিকার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় সাধারণ মানুষের জন্য পর্যাপ্ত গণশৌচাগারের ব্যবস্থা না থাকায় দর্শনার্থীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। তাই ভ্রাম্যমাণ গণশৌচাগার ব্যবহার উপযোগী রাখার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।তিনি আরও বলেন, জাতীয় সংসদ ভবন একটি বিশ্বখ্যাত স্থাপত্য নিদর্শন। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে মানিক মিয়া এভিনিউতে আসেন। কিন্তু কিছু স্থানে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা ও বর্জ্য
আরো পড়ুন , জাতীয় সংসদ ভবনে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠক
ব্যবস্থাপনার ঘাটতি পরিবেশের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে।তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিচ্ছন্নতা শুধু সৌন্দর্যের বিষয় নয়, এটি জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বিশেষ করে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।ডেপুটি স্পিকার সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদারের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।তিনি বলেন, মানিক মিয়া এভিনিউ ও সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকা আরও সবুজ ও নান্দনিক করতে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম বাড়াতে হবে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দর্শনার্থীদের জন্য মনোরম পরিবেশ তৈরি হবে।তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদ সচিবালয়, গণপূর্ত অধিদপ্তর ও সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগে এই এলাকা রাজধানীর একটি আদর্শ, পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপরিসরে রূপান্তরিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন