দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কায় ১৫ অঞ্চলের নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আবহাওয়ার বিশেষ পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে।এসব অঞ্চলে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন, মানবিক সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান বাংলাদেশের
একই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতও হতে পারে।এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর পুনঃ ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে এ ধরনের ঝড়ো আবহাওয়া স্বাভাবিক হলেও নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, মাছ ধরার ট্রলার এবং ছোট নৌকাগুলোকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা ও স্বল্পমেয়াদি দুর্ভোগের আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।আবহাওয়া অধিদপ্তর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সতর্কবার্তা জারি করা হবে বলে জানিয়েছে।
বিষয় : পূর্বাভাস বজ্রসহ বৃষ্টি দমকা হাওয়া

শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কায় ১৫ অঞ্চলের নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আবহাওয়ার বিশেষ পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হামিদ মিয়া স্বাক্ষরিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে।এসব অঞ্চলে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আরও পড়ুন, মানবিক সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান বাংলাদেশের
একই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতও হতে পারে।এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর পুনঃ ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্ষা মৌসুমে এ ধরনের ঝড়ো আবহাওয়া স্বাভাবিক হলেও নদীপথে চলাচলকারী নৌযান, মাছ ধরার ট্রলার এবং ছোট নৌকাগুলোকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতা ও স্বল্পমেয়াদি দুর্ভোগের আশঙ্কাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।আবহাওয়া অধিদপ্তর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী সতর্কবার্তা জারি করা হবে বলে জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন