টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের সোনালিয়া গ্রামে এক নারীর বাড়িতে অবস্থানকালে বিএনপির এক নেতাকে আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে উভয়ের সম্মতিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনালিয়া গ্রামের বাসিন্দা সাবিনা আক্তার কয়েক বছর আগে বিদেশে কর্মসূত্রে যান এবং কয়েক মাস আগে দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পর একই ইউনিয়নের কটামারা গ্রামের বাসিন্দা সফিক সিকদারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে এলাকাবাসীর দাবি।সোমবার রাতে সফিক সিকদার ওই নারীর বাড়িতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, এর আগেও তাদের সম্পর্ক নিয়ে এলাকায় আলোচনা ছিল। এ কারণে কিছু লোকজন গোপনে নজরদারির ব্যবস্থা করেন।
আরও পড়ুন, টাঙ্গাইলে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, প্রাণ গেল চারজনের
রাত ১১টার দিকে সফিক ওই বাড়িতে প্রবেশ করার পর রাত ১২টার দিকে স্থানীয়রা বাড়িটি ঘিরে ফেলেন। পরে ওই নারী ও সফিককে সেখানে আটকে রাখা হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে বিপুলসংখ্যক উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং পুলিশ সদস্যরা। বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান জানান, নারী ও পুরুষকে আটকের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে স্থানীয়ভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলে পুলিশ সেখান থেকে ফিরে আসে।স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান জানান, উভয় পক্ষের সম্মতিতে পাঁচ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে তাদের নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়।তবে এ ঘটনায় কোনো মামলা বা আইনি অভিযোগের তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশও জানিয়েছে, উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, নতুন কমিটি গঠনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিসিবিতে পদত্যাগ
বিষয় : বিএনপি নেতা প্রেমিকার ঘর আটক,

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ জুন ২০২৬
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের সোনালিয়া গ্রামে এক নারীর বাড়িতে অবস্থানকালে বিএনপির এক নেতাকে আটক করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে উভয়ের সম্মতিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনালিয়া গ্রামের বাসিন্দা সাবিনা আক্তার কয়েক বছর আগে বিদেশে কর্মসূত্রে যান এবং কয়েক মাস আগে দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পর একই ইউনিয়নের কটামারা গ্রামের বাসিন্দা সফিক সিকদারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে এলাকাবাসীর দাবি।সোমবার রাতে সফিক সিকদার ওই নারীর বাড়িতে গেলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। অভিযোগ রয়েছে, এর আগেও তাদের সম্পর্ক নিয়ে এলাকায় আলোচনা ছিল। এ কারণে কিছু লোকজন গোপনে নজরদারির ব্যবস্থা করেন।
আরও পড়ুন, টাঙ্গাইলে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, প্রাণ গেল চারজনের
রাত ১১টার দিকে সফিক ওই বাড়িতে প্রবেশ করার পর রাত ১২টার দিকে স্থানীয়রা বাড়িটি ঘিরে ফেলেন। পরে ওই নারী ও সফিককে সেখানে আটকে রাখা হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে বিপুলসংখ্যক উৎসুক মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছান স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং পুলিশ সদস্যরা। বাঁশতৈল ফাঁড়ির উপপরিদর্শক আতাউর রহমান জানান, নারী ও পুরুষকে আটকের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে স্থানীয়ভাবে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হলে পুলিশ সেখান থেকে ফিরে আসে।স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান জানান, উভয় পক্ষের সম্মতিতে পাঁচ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে তাদের নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়।তবে এ ঘটনায় কোনো মামলা বা আইনি অভিযোগের তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশও জানিয়েছে, উভয় পক্ষের সম্মতিতে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, নতুন কমিটি গঠনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিসিবিতে পদত্যাগ

আপনার মতামত লিখুন