বাংলাদেশের একাধিক সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ৬০ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের, অর্থাৎ বিজিবির বাধায় তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে সীমান্তের শূন্যরেখা ও নো ম্যান্স ল্যান্ডে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন এসব মানুষ।লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে গত ২৪ ঘণ্টায় একাধিকবার এই ‘পুশ ইন’ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বিজিবি বলছে, কড়া নজরদারি ও স্থানীয়দের সহায়তায় এসব অনুপ্রবেশ ঠেকানো হয়েছে।লালমনিরহাটের আদিতমারী, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। বিজিবির বাধার মুখে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।অন্যদিকে, পঞ্চগড়
আরো পড়ুন , মাছের ঘেরে কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল এসএসসি পরীক্ষার্থীর
সদর সীমান্তে নারী-শিশুসহ আরও ১০ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা হয়। তবে বিজিবি বলছে, তারা বাংলাদেশি কি না, তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে গ্রহণ করা হবে না।নওগাঁর সাপাহার সীমান্তেও ১৭ জনকে বাংলাদেশে ঢোকানোর চেষ্টা চালায় বিএসএফ। বিজিবির তাৎক্ষণিক তৎপরতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং সীমান্তে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।সবচেয়ে মানবিক সংকটের চিত্র দেখা গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে। সেখানে ২৮ জন নারী, পুরুষ ও শিশু কয়েক দিন ধরে নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। ভারী বৃষ্টি ও খাদ্যসংকটের মধ্যেও এখনো তাদের বিষয়ে কোনো সমাধান হয়নি।বিজিবি জানিয়েছে, পতাকা বৈঠকে বিএসএফ কিছু ক্ষেত্রে পুশ ইনের বিষয়টি স্বীকার করেছে। তবে বাংলাদেশ স্পষ্ট জানিয়েছে—আন্তর্জাতিক নিয়ম উপেক্ষা করে কাউকে সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো গ্রহণযোগ্য নয়।সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই বিজিবি বলছে, দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষায় তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
বিষয় : বাংলাদেশের একাধিক নারী, পুরুষ ও শিশুসহ

শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
বাংলাদেশের একাধিক সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ৬০ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের, অর্থাৎ বিজিবির বাধায় তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি। ফলে সীমান্তের শূন্যরেখা ও নো ম্যান্স ল্যান্ডে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন এসব মানুষ।লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে গত ২৪ ঘণ্টায় একাধিকবার এই ‘পুশ ইন’ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। বিজিবি বলছে, কড়া নজরদারি ও স্থানীয়দের সহায়তায় এসব অনুপ্রবেশ ঠেকানো হয়েছে।লালমনিরহাটের আদিতমারী, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রাম সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ৩৩ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। বিজিবির বাধার মুখে তারা সীমান্তের শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।অন্যদিকে, পঞ্চগড়
আরো পড়ুন , মাছের ঘেরে কাজ করতে গিয়ে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল এসএসসি পরীক্ষার্থীর
সদর সীমান্তে নারী-শিশুসহ আরও ১০ জনকে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা হয়। তবে বিজিবি বলছে, তারা বাংলাদেশি কি না, তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে গ্রহণ করা হবে না।নওগাঁর সাপাহার সীমান্তেও ১৭ জনকে বাংলাদেশে ঢোকানোর চেষ্টা চালায় বিএসএফ। বিজিবির তাৎক্ষণিক তৎপরতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং সীমান্তে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।সবচেয়ে মানবিক সংকটের চিত্র দেখা গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে। সেখানে ২৮ জন নারী, পুরুষ ও শিশু কয়েক দিন ধরে নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। ভারী বৃষ্টি ও খাদ্যসংকটের মধ্যেও এখনো তাদের বিষয়ে কোনো সমাধান হয়নি।বিজিবি জানিয়েছে, পতাকা বৈঠকে বিএসএফ কিছু ক্ষেত্রে পুশ ইনের বিষয়টি স্বীকার করেছে। তবে বাংলাদেশ স্পষ্ট জানিয়েছে—আন্তর্জাতিক নিয়ম উপেক্ষা করে কাউকে সীমান্ত দিয়ে ঠেলে পাঠানো গ্রহণযোগ্য নয়।সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই বিজিবি বলছে, দেশের নিরাপত্তা ও সীমান্ত সুরক্ষায় তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন