রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালতে উঠে এসেছে ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক বর্ণনা। স্বজন, প্রতিবেশী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যে প্রকাশ পেয়েছে ১৯ মে’র সেই বিভীষিকাময় ঘটনার নানা তথ্য।মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে রামিসার বাবা-মা, বড় বোন, চাচা-চাচিসহ ১০ জন সাক্ষী জবানবন্দি দেন।রামিসার চাচি আদালতে বলেন, অভিযুক্ত সোহেল রানার ঘরে গিয়ে তিনি খাটের নিচে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ দেখতে পান। তখন পুলিশ ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছিল।
আরও পড়ুন , সৌদি আরব সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান
চাচা মিজানুর রহমান লিটন বলেন, বাসায় এসে তিনি রক্তাক্ত দৃশ্য দেখেন। একটি বালতির মধ্যে রামিসার মাথা এবং পাশে মরদেহ পড়ে ছিল। তিনি আদালতে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে শনাক্ত করেন।প্রতিবেশীরা জানান, দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা রক্তাক্ত ঘর, খাটের নিচে মরদেহ এবং বালতির মধ্যে শিশুটির মাথা দেখতে পান।গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী আবু সামা বলেন, ঘটনার দিন সকালে তিনি এক ব্যক্তিকে জানালা বেয়ে নিচে নামতে দেখেছিলেন। পরে সংবাদমাধ্যমে ছবি দেখে নিশ্চিত হন, তিনি ছিলেন আসামি সোহেল রানা।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, সাক্ষীদের বক্তব্যে ধর্ষণ, হত্যা এবং ঘটনার পর আসামির পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।মামলায় এদিন ১০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
আরও পড়ুন , দেশে ডেঙ্গু রোগী মাত্র ৪, শূন্যে নামাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি সরকারের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আদালতে উঠে এসেছে ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক বর্ণনা। স্বজন, প্রতিবেশী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যে প্রকাশ পেয়েছে ১৯ মে’র সেই বিভীষিকাময় ঘটনার নানা তথ্য।মঙ্গলবার ঢাকার মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে রামিসার বাবা-মা, বড় বোন, চাচা-চাচিসহ ১০ জন সাক্ষী জবানবন্দি দেন।রামিসার চাচি আদালতে বলেন, অভিযুক্ত সোহেল রানার ঘরে গিয়ে তিনি খাটের নিচে শিশুটির মাথাবিহীন মরদেহ দেখতে পান। তখন পুলিশ ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছিল।
আরও পড়ুন , সৌদি আরব সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাবাহিনী প্রধান
চাচা মিজানুর রহমান লিটন বলেন, বাসায় এসে তিনি রক্তাক্ত দৃশ্য দেখেন। একটি বালতির মধ্যে রামিসার মাথা এবং পাশে মরদেহ পড়ে ছিল। তিনি আদালতে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনকে শনাক্ত করেন।প্রতিবেশীরা জানান, দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তারা রক্তাক্ত ঘর, খাটের নিচে মরদেহ এবং বালতির মধ্যে শিশুটির মাথা দেখতে পান।গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী আবু সামা বলেন, ঘটনার দিন সকালে তিনি এক ব্যক্তিকে জানালা বেয়ে নিচে নামতে দেখেছিলেন। পরে সংবাদমাধ্যমে ছবি দেখে নিশ্চিত হন, তিনি ছিলেন আসামি সোহেল রানা।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী জানান, সাক্ষীদের বক্তব্যে ধর্ষণ, হত্যা এবং ঘটনার পর আসামির পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে।মামলায় এদিন ১০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। বিচার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
আরও পড়ুন , দেশে ডেঙ্গু রোগী মাত্র ৪, শূন্যে নামাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি সরকারের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপনার মতামত লিখুন