দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
আপডেট : রোববার, ৩১ মে ২০২৬

মতিউর রহমানের পুরোনো মন্তব্য নিয়ে নতুন বিতর্ক

মতিউর রহমানের পুরোনো মন্তব্য নিয়ে নতুন বিতর্ক
মতিউর রহমানের পুরোনো মন্তব্য নিয়ে নতুন বিতর্ক

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা। সেই হামলা, বিচার এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা ঘিরে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তৎকালীন যুবনেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কিছু গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন, একাধিক মামলার পর অবশেষে কারামুক্ত সাংবাদিক শওকত মাহমুদ

সমালোচকদের দাবি, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর এবং সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক ধারাবাহিকভাবে তারেক রহমানকে জড়িয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাদের অভিযোগ, শুধুমাত্র সংবাদ নয়, কার্টুন, মতামত ও কলামের মাধ্যমেও একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বয়ান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছিল, যা অনেকেই ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হিসেবে আখ্যা দেন।

আরও পড়ুন, বরেণ্য সাংবাদিক ও গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান ইন্তেকাল করেন

অন্যদিকে, ওই সময়ের সাংবাদিকতা ও বিচারপ্রক্রিয়ার সমর্থকরা বলছেন, ২১ আগস্ট হামলা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতার একটি ঘটনা। এ ধরনের ঘটনায় তদন্ত, বিচার এবং সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী ভূমিকা স্বাভাবিক ও প্রয়োজনীয় ছিল। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায়ের পর এক বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংশ্লিষ্ট জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক মতিউর রহমান বলেছিলেন, সে সময়ের সরকার ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তে বাধা দিয়েছে এবং ঘটনার দায় অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তিনি বিচার হওয়াকে ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেছিলেন।

আরও পড়ুন, সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়েরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি

তবে বিএনপিসহ সমালোচকদের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করা হচ্ছে, তারেক রহমানকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে মতপার্থক্য এখনও স্পষ্ট। বিশ্লেষকদের মতে, ২১ আগস্ট হামলার মতো স্পর্শকাতর ঘটনাগুলোতে বিচারিক প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক বক্তব্য এবং সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক আরও দীর্ঘ সময় আলোচনায় থাকবে।

বিষয় : বিতর্ক প্রধানমন্ত্রী মতিউর রহমান

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬


মতিউর রহমানের পুরোনো মন্তব্য নিয়ে নতুন বিতর্ক

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মে ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা। সেই হামলা, বিচার এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা ঘিরে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে তৎকালীন যুবনেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে কিছু গণমাধ্যমের প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

আরও পড়ুন, একাধিক মামলার পর অবশেষে কারামুক্ত সাংবাদিক শওকত মাহমুদ

সমালোচকদের দাবি, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার পর এবং সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিক ধারাবাহিকভাবে তারেক রহমানকে জড়িয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাদের অভিযোগ, শুধুমাত্র সংবাদ নয়, কার্টুন, মতামত ও কলামের মাধ্যমেও একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বয়ান প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছিল, যা অনেকেই ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ হিসেবে আখ্যা দেন।

আরও পড়ুন, বরেণ্য সাংবাদিক ও গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খান ইন্তেকাল করেন

অন্যদিকে, ওই সময়ের সাংবাদিকতা ও বিচারপ্রক্রিয়ার সমর্থকরা বলছেন, ২১ আগস্ট হামলা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতার একটি ঘটনা। এ ধরনের ঘটনায় তদন্ত, বিচার এবং সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী ভূমিকা স্বাভাবিক ও প্রয়োজনীয় ছিল। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায়ের পর এক বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংশ্লিষ্ট জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক মতিউর রহমান বলেছিলেন, সে সময়ের সরকার ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তে বাধা দিয়েছে এবং ঘটনার দায় অন্যদিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল। তিনি বিচার হওয়াকে ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেছিলেন।

আরও পড়ুন, সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়েরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি

তবে বিএনপিসহ সমালোচকদের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করা হচ্ছে, তারেক রহমানকে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পরিকল্পিতভাবে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে মতপার্থক্য এখনও স্পষ্ট। বিশ্লেষকদের মতে, ২১ আগস্ট হামলার মতো স্পর্শকাতর ঘটনাগুলোতে বিচারিক প্রক্রিয়া, রাজনৈতিক বক্তব্য এবং সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক আরও দীর্ঘ সময় আলোচনায় থাকবে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত